প্রাক্তন বাগান সচিবের প্রয়াণে পিতৃহারা হলেন কল্যাণ চৌবে

প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সচিব অঞ্জন মিত্র। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল 70। বিগত 23 বছর ধরে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন তিনি। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতা পিছু ছাড়েনি তাঁর। তাই রোগজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। গত বেশ কয়েকদিন ধরে বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে শুক্রবার ভোর তিনটে 10 মিনিট নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অঞ্জন মিত্র। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে মোহনবাগান সহ বাংলার ফুটবলমহলে।

স্মৃতিচারণা করতে দেখা গিয়েছে প্রাক্তন ফুটবলার কল্যাণ চৌবেকেও। তবে শুধুই ফুটবলার হিসেবে নন, অঞ্জন মিত্রের জামাতা হিসেবেও শ্বশুরের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ কল্যাণ। তাঁর শোকবার্তায় উঠে এল পিতৃহারা হলেন তিনি। শ্বশুর অঞ্জন মিত্র ও প্রশাসক অঞ্জন মিত্রের তুলনা প্রসঙ্গে কল্যাণ চৌবে বলেন, ‘আমি যখন ফুটবলার হয়ে এসেছিলাম, তখন অঞ্জন মিত্র আমায় সুযোগ করে দিয়েছিল। তাঁর হাত ধরেই আমার ফুটবল জগতে পা রাখা। সেখান থেকে তাঁর মেয়ে সোহিনীকে বিয়ে করা। আমি যেমন ঘরের বাইরে প্রশাসক অঞ্জন মিত্রকে দেখেছি, তেমনই চার দেওয়ালের মধ্যে পরিবারের সঙ্গে মিশে থাকা অঞ্জন মিত্রকেও দেখেছি। দুটো মানুষ ভীষণ নির্ভীক। ফুটবলের জন্য যা কিছু করতে পারা একজন মানুষের নাম হল অঞ্জন মিত্র। এই ক্ষতি অপূরণীয় ক্ষতি। জানি না কীভাবে এর বহিঃপ্রকাশ করা যায়। তবে এটুকুই বলব, প্রশাসক অঞ্জন মিত্রের আরও কাছে যাওয়ার যখন আমি পারিবারিক সূত্রে সুযোগ পাই, তখন আমরা বন্ধুর মত ছিলাম। সেই বন্ধুকে হারালাম। পিতৃহারা হলাম।’ এভাবেই নিজের শ্বশুরের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন বাংলার প্রাক্তন ফুটবলার।