Tuesday, April 7, 2026

সুপ্রিম রায়ে তৃণমূল চুপ, কবিতা লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী

Date:

Share post:

তিনি নিজেই সাংবাদিকদের বলেছিলেন অযোধ্যা নিয়ে যা বলার তিনি বলবেন। স্পর্শকাতর বিষয়। অন্যরা কেউ কিছু বলবেন না। সকালে রায় ঘোষণার পর তৃণমূলের তরফে কেউ কোনও বক্তব্য রাখেননি। মুখ খোলেননি মুখ্যমন্ত্রীও। রাতের দিকে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন কবিতা। সেখানে আজকের টাটকা প্রসঙ্গ নেই। কবিতার প্রথম লাইনই হল ” অনেক সময় /কথা না বলেও/ অনেক কথা বলা হয়ে যায়/ কিছু বলার থেকে/ না বলাটা/ আরো শক্তিশালী হয়।

রাম মন্দির বানানোর নির্দেশ আর অন্য জমিতে মসজিদ বানানোর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর মুসলিক সংগঠনগুলি খুশি নয় বলে জানিয়েছে। মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ড অখুশি। আসাউদ্দিন ওয়েসির দলও বলেছে তাদের কথা কেউ মনে রাখেনি। তারা মসজিদের জমি নেবে কিনা তার নিশ্চয়তা নেই। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কিছুটা যে অস্বস্তিতে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রায়ের স্বপক্ষে বললে সংখ্যাগুরুরা খুশি হলেও সংখ্যালঘুরা খুশি নাও হতে পারে। অথচ এই বাংলায় তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে কার্যত কেউ থাবা বসাতে পারেনি। এখনও সেখানে তৃণমূলই রাজা। এই অবস্থায় সুপ্রিম রায়কে স্বাগত বা সমালোচনা না করে চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই সম্প্রদায়েরই পাশে থাকলেন নেত্রী। লিখলেন কবিতা। যে কবিতার শুরু না বললেও অনেক কিছু বলা হয়ে যায়। যেটা বলার চাইতেও শক্তিশালী। আর শেষ লাইনে তিনি লিখছেন ‘আর না বলতে পারাটা/অতীব যন্ত্রণা’/ ওটা তো হৃদয়ের শক্তিশেল/জমা থাকে’– মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিলেন আসলে জমে যন্ত্রণা কোনওদিন ঠিক আগুন হয়ে বের হবে। সেদিনের অপেক্ষা।

Related articles

ভোটার তালিকায় বহিরাগত ঢোকানোর ছক! প্রভুকে খুশি করতেই ব্যস্ত, কমিশনকে কটাক্ষ তৃণমূলের

বিজেপিকে খুশি করতে বিহার-উত্তরপ্রদেশ থেকে ভোটার আনা হচ্ছে বাংলায়! আর সুপরিকল্পিত চক্রান্তে বাংলার বৈধ ভোটারদের নাম কেটে ভোটাধিকার...

ভোটার তালিকায় জটিলতা মেটাতে তৎপর কমিশন, সিইও দফতরে বিশেষ দায়িত্বে বিভূ গোয়েল

ভোটার তালিকা সংশোধন তথা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিক টানাপড়েনের আবহে রাজ্যের নির্বাচনী পরিকাঠামোয় বড়সড় রদবদল ঘটাল ভারতের নির্বাচন...

গেরুয়া শিবিরে বিতর্কিত বাম নেতা অনিল বসুর পুত্র সৌম্য

বাবা বাম জমানার বিতর্কিত নেতা অনিল বসু (Anil Basu)। এবার তাঁর ছেলে সৌম্য বসুকে এবার দেখা গেল বিজেপির...

কারণ না দেখিয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত! খারিজ জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ প্রস্তাব

দেখানোর মতো কোনও সুনির্দিষ্ট যুক্তিই নেই কেন্দ্রের। তাই কোনও কারণ ব্যাখ্যা না করেই সম্পূর্ণ একতরফাভাবে খারিজ করে দেওয়া...