পরিযায়ীদের জন্য কেন্দ্র আরও ট্রেন দিতে চায়, আগ্রহ নেই মুখ্যমন্ত্রীর! বিস্ফোরক সুজন-অধীর

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা রাজ্য সরকারের উদ্যোগে লকডাউনের মধ্যেই রাজস্থানের কোটা থেকে প্রায় ১০০টি বিশেষ বাসে ২৫০০ পড়ুয়া ঘরে ফিরেছে। একইভাবে রাজস্থানের আজমের ও কেরালা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ২৫০০ পরিযায়ী শ্রমিককে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তারপরও বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে।

বিরোধীদের অভিযোগ, ভিন রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে বাংলার জন্য মাত্র ২টি ট্রেন চেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন। অথচ, রেলমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল নাকি জানিয়েছেন, কেন্দ্রকে বললে আরও ট্রেনের ব্যবস্থা করা হতো। এমনই দাবি করেছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা তথা সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী এবং লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী।

সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ, শুধুমাত্র দুটো ট্রেন পরিযায়ী শ্রমিক এবং আটকে পড়া মানুষদের নিয়ে রাজ্যে এসেছে। এরপর থেকে আর কোনও ট্রেন রাজ্যে আসার খবর নেই। রাজ্য সরকারের গাফিলতির জন্য আরও দুটো ট্রেন ছাড়পত্র পায়নি বলেও অভিযোগ করেন সুজনবাবু।

সিপিএম নেতার আরও অভিযোগ, কর্নাটকে সেখানকার প্রোমোটার এবং বিভিন্ন কোম্পানি চাইছে শ্রমিকদের আটকে দিতে। সেখানকার বিজেপি সরকার সেইরকম মনোভাব নিয়েছে। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে, তারা কী চাইছে। কেন একাধিক ট্রেন এই রাজ্যে আটকে পড়া মানুষদের নিয়ে আসছে না তার জবাবদিহি করতে হবে রাজ্য সরকারকে।

অধীর চৌধুরীর অভিযোগ , “রেলমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাংলা থেকে মাত্র দুটি ট্রেনই চাওয়া হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য। কে মিথ্যা বলছে, মুখ্যমন্ত্রীর নাকি রেলমন্ত্রী?”

মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অধীর চৌধুরী আরও বলেন, “আমার সঙ্গে রেলমন্ত্রীর সরাসরি ফোনে কথা হয়েছে। বাংলার শ্রমিকদের জন্য ব্যাঙ্গালোর থেকে ট্রেন চালানোর কথা বলেছিল কেন্দ্র। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও ফলোআপ করেননি। মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করুন রেলমন্ত্রী মিথ্যা বলছেন”