Saturday, November 29, 2025

কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতটা হল কোথায়? প্রশ্ন প্রাক্তন আমলা জহর সরকারের

Date:

Share post:

১৯৫৪ সালের আইএএস ক্যাডার আইনের ৬/১ ধারা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর প্রযোজ্য হয় না। কেন? প্রসার ভারতীর প্রাক্তন সিইও জহর সরকার ঠোঁট কাটা হিসাবেই পরিচিত। তাঁর স্পষ্ট কথা, রাজ্যের কোনও ক্যাডারকে যদি কেন্দ্র নিতে চায় তাহলে, ১. রাজ্যের অনুমতি নিতে হবে, ২. রাজ্যের ছাড়পত্র দরকার, ৩. সিদ্ধান্ত হবে আলোচনার ভিত্তিতে, ৪. খোদ আইএএস ক্যাডাররের সম্মতিও দরকাত। এটা ১৯৫৪ সালের নিয়ম। পরে এই ধারায় একটি উপধারা যোগ করা হয়েছে। তা’হল, কেন্দ্র-রাজ্য সঙ্ঘাত হলে কেন্দ্রের নির্দেশই মানতে হবে।

আরও পড়ুন-ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচাতে আগামিকাল থেকেই প্রত্যেক শিল্পী, কলাকুশলীর টিকাকরণ শুরু বলিউডে

এখানেই প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন আমলা জহর সরকার, কেন্দ্র-রাজ্য সঙ্ঘাতটা হলো কোথায়? কেন্দ্র দিল্লিতে যোগ দিতে বলেছে। মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রকে অনুরোধ করে বলেছেন, ওকে এখানে থাকতে দিন। এরমধ্যে সঙ্ঘাতটা এলো কোথায়? সঙ্ঘাত হলে তো কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারকে বলতে হবে, সঙ্ঘাত হয়েছে। রাজনীতির ময়দানে যে যাই বলুন না কেন সরকারি খাতায় সে নিয়ে কোনও সঙ্ঘাতের বাতাবরণ নেই। ফলে এই আইন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কী করে? একই প্রশ্ন অন্য আমলাদের।

Advt

spot_img

Related articles

‘রাষ্ট্রবাদ’ শব্দে মানুষ ভয় পায়: ভারতের একতা নিয়ে গান্ধীজি ভুল, দাবি মোহন ভাগবতের

এবার সরাসরি গান্ধীজির তত্ত্বকে আক্রমণ আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের। ভারতের একতার শক্তি নিয়ে ব্রিটিশ বিরোধিতাকে যেভাবে অনুঘটক বলে...

তারকেশ্বরে মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, শোকপ্রকাশ অভিষেকের 

তারকেশ্বরের জনপ্রিয় পঞ্চায়েত সমিতির প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বন্দনা মাইতির আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। শনিবার...

শিক্ষিকা হলেন AI রোবোট! তাক লাগিয়ে দিল দ্বাদশের পড়ুয়া

বড় বড় সংস্থা সহকারী হিসাবে এআই-এর দ্বারস্থ হচ্ছে। সেখানে স্কুলে পড়ানোর জন্যও এআই রোবোটের (AI robot) পরিকল্পনা করতেই...

সাহস থাকলে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পূর্ণ কথোপকথন প্রকাশ করুন: জ্ঞানেশকে চ্যালেঞ্জ ডেরেকদের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে ৫ প্রশ্নের জবাব চাইতে যাওয়ার পরে দিন ফের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ...