তালিবানের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতেই নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষণা করলেন আমারুল্লাহ সালেহ। তাঁর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে পঞ্জশিরে তালিবান প্রতিরোধে লড়ছেন মাসুদ। কয়েকটি প্রদেশ হাতছাড়া হলেও নর্দার্ন অ্যালায়েন্স বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে এঁটে উঠতে পারছে না তালিবান। সালেহর অভিযোগ, লড়াইয়ে পারছে না দেখে, পঞ্জশিরে খাদ্যদ্রব্য ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছে তালিবান। বৃদ্ধ আর শিশুদের অপহরণ করছে। তাদের ‘ওয়ার শিল্ড’ হিসাবে ব্যবহার করছে। তালিবানি ভয়ে পঞ্জশিরের মহিলারা জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নিমতিতা বিস্ফোরণে NIA চার্জশিটে UAPA ধারা যোগ

অন্যদিকে আফগানিস্তান থেকে বিদেশিদের চলে যাওয়ার ডেড লাইন দিয়ে দিল তালিবান। ৩১ অগাস্ট সেই নির্দিষ্ট দিন। কিন্তু কেউ যেতে না পারলে তার ভবিষ্যত কী হবে তা জানা যায়নি। মুশকিলে আমেরিকা। মার্কিন নাগরিকদের কীভাবে নিয়ে যাওয়া হবে সে নিয়ে চিন্তায় ব্যতিব্যস্ত বাইডেন প্রশাসন। কাবুল বিমানবন্দর তালিবান ঘিরে রেখেছে। ভিতরে ন্যাটো বাহিনী। সব মিলিয়ে বিমান নামার পরিস্থিতি এই মুহূর্তে নেই। এর মাঝেই আফগানিস্তান থেকে ৭৮ জনকে নিয়ে একটি বিমান নেমেছে নয়াদিল্লিতে। যার মধ্যে ভারতীয় ২৫জন।

এদিকে মঙ্গলবার চিন অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছে, তারা আফগানিস্তানের পাশে থাকছে। অন্যদিকে পাকিস্তান এতটাই এগিয়ে গিয়েছে যে লাহোর-করাচিতে জৈশ ও লস্কর ই তৈবার মিছিল শুরু হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে ইউক্রেনের বিমান অপহরণ নিয়ে বিশ্ব রাজনৈতিক মহল উত্তপ্ত। বিমান ইরানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।

