তৃণমূল, বাম, বিজেপির পর এবার আসন্ন উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল কংগ্রেস। পুজো শেষে আগামী ৩০ অক্টোবর রাজ্যের চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন। যেখানে রাজনৈতিক মহলের সবচেয়ে বেশি নজর নদিয়ার শান্তিপুরে কেন্দ্রে। আর এই আসনেই এবার কংগ্রেস প্রার্থী রাজু পাল।

রাজ্য রাজনীতিতে একেবারেই অপরিচিত, অচেনা, আনকোড়া এই রাজু পাল। স্থানীয়স্তরে কিছু মানুষ হয়তো চেনেন কংগ্রেস প্রার্থীকে। বয়সে তরুণ রাজু পাল শান্তিপুর টাউন কংগ্রেস সভাপতি ও নদিয়া জেলা কংগ্রেসের সম্পাদক। তবে ছাত্র বা যুব রাজনীতি থেকে উঠে আসা কোনও নেতা নন তিনি। ফলে কংগ্রেস মনোভাবের কোনও মানুষ শুধু নন, সক্রিয় কংগ্রেস রাজনীতি করা লোকেদের মধ্যে অনেকেই চিনতে পারছেন না রাজু পালকে। এমন প্রার্থী চয়নেই প্রমাণিত একদা কংগ্রেসের গড় বলে পরিচিত শান্তিপুর কেন্দ্রে প্রার্থী খুঁজে পায়নি কংগ্রেস। তাই রাজনীতিতে আনকোড়া রাজুকে ভোটের ময়দানে নামিয়ে দিয়েছেন অধীর চৌধুরীরা।

অন্যদিকে, রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনে জোট ধর্ম পালন না করে আগেই একতরফা প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামফ্রন্ট। কংগ্রেসের সঙ্গে কার্যত ইতি টেনেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাম নেতারা। তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন বিমান বসু। তবে এক্ষেত্রে কিছুটা নরম মনোভাব দেখিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তাই চারটি কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র নদিয়ার শান্তিপুর আসনে প্রার্থী দিচ্ছে কংগ্রেস। দিনহাটা, খাড়দহ ও গোসাবায় কোনও প্রার্থী দেবে না তারা।
বরং, ওই তিন আসনে বাম প্রার্থীদের সমর্থন করবে কংগ্রেস।

আসলে শান্তিপুর ছাড়া বাকি তিন কেন্দ্রে গ্রহণযোগ্য প্রার্থীই খুঁজে পাচ্ছে না কংগ্রেস। কিন্তু শান্তিপুরে অচেনা রাজু পালকে প্রার্থী করার মধ্যে দিয়ে প্রমাণ, এই আসনে কংগ্রেসের জামানত বাজেয়াপ্ত নিশ্চিত।


আরও পড়ুন- উৎসবের মরসুমে কড়া সতর্কবার্তা দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক

