Tuesday, March 17, 2026

NCP প্রধান সুপ্রিয়া, অজিতকে বড় দায়িত্ব: পাওয়ার সাক্ষাতের পর দাবি ভুজবলের

Date:

Share post:

দলের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণার পর অনুগামীদের চাপে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য দু’-তিন দিন সময় চেয়েছিলেন শরদ পাওয়ার(Sharad Pawar)। এই পরিস্থিতির মাঝে বুধবার শরদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন এনসিপি(NCP) নেতা ছগন ভুজবল(Chagan Bhujbal)। সেখান থেকে বের হওয়ার পর দলের সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। দাবি করলেন, এনসিপির পরবর্তী সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব পেতে পারেন শরদ কন্যা সুপ্রিয়া সুলে(Supriya Sule)। এবং মহারাষ্ট্রের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে অজিত পাওয়ারকে(Ajit Pawar)।

শরদ পাওয়ারের বাড়ি ‘সিলভার ওক’ থেকে বেরিয়ে বুধবার সংবাদমাধ্যমকে ভুজবল বলেন, “মহারাষ্ট্র দেখার জন্য অজিতভাই রয়েছেন। কিন্তু জাতীয় রাজনীতিতে শরদজি যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতেন, তা পালনের জন্য এক জনকে চাই। এ ক্ষেত্রে সুপ্রিয়াই সকলেই পছন্দ। তিনি দীর্ঘ দিনের সাংসদ। বাবার সঙ্গে থেকে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন।” তবে অজিতকে মহারাষ্ট্রে সংগঠনের দায়িত্ব আদৌ তুলে দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যেই। এদিকে অজিত ঘনিষ্ঠ এনসিপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রফুল্ল প্যাটেলও বুধবার শরদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর বাড়ি। তিনি জানান, “আমরা কেউই জানতাম না যে উনি এ ভাবে সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করবেন। আমি ওঁকে বলেছি, এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুনর্বিবেচনার জন্য দু’-তিন যথেষ্ট নয়। আরও সময় নিন।”

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে এনসিপির জাতীয় অধিবেশনে দলের সভাপতি হিসাবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছিলেন শরদ। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সে দিন মাঝপথেই তিনি বৈঠক ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন অজিত। তার পর থেকেই দু’জনের সমীকরণ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এনসিপির একটি সূত্র জানাচ্ছে, শরদ চান কন্যা সুপ্রিয়ার হাতে দলের কর্তৃত্ব তুলে দিতে। কিন্তু অজিত শিবির তা মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতির মাঝেই শরদের পদত্যাগের ঘোষণা জাতীয় রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। পাশাপাশি শরদের এনসিপি সভাপতি পদ ছাড়ার পরে দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদাধিকারী এবং জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। বুধবার শরদ ঘনিষ্ঠ বিধায়ক জিতেন্দ্র অওয়াড় এবং শোলাপুর জেলা এনসিপির সভাপতি ভূষণ বাঘেল পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা এক ধরনের কৌশলী চাল হতে পারে। উদ্দেশ্য সব স্তরের নেতা-কর্মীদের নিরঙ্কুশ আনুগত্য পাওয়া। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে লোকসভা ভোটের আগে দলের নেতৃত্ব ছাড়বেন না শরদ পাওয়ার।

spot_img

Related articles

নারী ক্ষমতায় জোর দলনেত্রীর: তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় ৫২ মহিলা

বরাবরই নারী ক্ষমতায়নে জোর দেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজ্যসভা হোক বা লোকসভা...

কলকাতা শহরে আইন-শৃঙ্খলা পুলিশই দেখে: মন্ত্রীর বাড়িতে হামলায় ‘জবাব’ নতুন সিপি-র

নজিরবিহীন হামলায় নির্বাচন ঘোষণার আগেই রাজ্য রাজনীতিকে উত্তপ্ত করেছে বিজেপি। রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে, পুলিশের মাথা ফাটিয়ে...

ট্রান্সজেন্ডার সংশোধনী বিল নিয়ে উদ্বেগ, NALSA রায়ের পক্ষে সরব যুব সমাজ

ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের (Transgender Rights) সদস্য ও বিভিন্ন নাগরিক সমাজ সংগঠন ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস (প্রোটেকশন অফ রাইটস) অ্যাক্ট, ২০১৯–এর প্রস্তাবিত...

পিছিয়ে গেল মিনি ডার্বি, মোহনবাগানে ফের চোটের উদ্বেগ

ঈদের কারণে পিছিয়ে দেওয়া হল আইএসএলের(ISL) মিনি ডার্বি। ইস্টবেঙ্গল(East Bengal )বনাম মহামেডান(Mohamedan ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ মার্চ।...