Tuesday, March 17, 2026

চাপের মুখে মনুসংহিতায় ‘না’, প্রস্তাবনা ফেরৎ মহারাষ্ট্র শিক্ষামন্ত্রীর

Date:

Share post:

মহারাষ্ট্রের নতুন শিক্ষানীতিতে মনুসংহিতাকে (Manusanghita) রাখার পদক্ষেপ থেকে শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হল মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সরকার। সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী দীপক কেশরকার (Deepak Kesarkar)। তাঁর সাফাই প্রাথমিক প্রস্তাবনায় মনুসংহিতাকে পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত রাখার প্রস্তাবনা করা হলেও তা একেবারেই প্রাথমিক ছিল, এবং সরকার কখনই তা অনুমোদন দিত না। সেই সঙ্গে ‘ভুল করে’ খসড়া প্রস্তাবনা (drafts chapter) প্রকাশ্যে চলে এসেছে। তবে ভুল করে প্রস্তাবনা সামনে আসার কারণেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিরোধিদের তরফে।

মহারাষ্ট্র সরকারের স্টেট কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন-এর তরফে যে খসড়া প্রস্তাবনা প্রকাশ্যে আসে তাতে মনুস্মৃতি (Manusmriti) থেকে কিছু অংশ পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব ছিল। সেই সঙ্গে মারাঠি ভাষাকে আবশ্যক পাঠ্যসূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়। একাদশ ও দ্বাদশের পাঠ্যসূচি থেকে ইংরাজিকেও বাদ দেওয়া হয়।

বিরোধীদের সমালোচনার পরে প্রকাশ্যে এসে বিবৃতি দিতে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী দীপক কেশরকার। তিনি দাবি করেন নতুন করে কোনও পাঠ্যসূচি সংযোজন করা হবে না। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মারাঠি ও ইংরাজি পড়া আবশ্যক থাকবে। সেই সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে হিন্দি, সংস্কৃত, অন্যান্য ভারতীয় ভাষা ও বিদেশি ভাষার মধ্যে একটি পড়বে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে একটি ভারতীয় ও একটি বিদেশি ভাষা (foreig language) পড়তে হবে। যদিও এক শ্রেণির রাজনীতিকদের দাবি, খসড়া শিক্ষানীতি বাইরে প্রকাশ করে মহারাষ্ট্র সরকার নির্বাচনের সময়ে বাইরের রাজনীতি মেপে নিল। প্রতিবাদ শুরু হতেই ফেরৎ নেওয়া হল মনুসংহিতার অধ্যায়।

spot_img

Related articles

অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের পুনর্নিয়োগের খতিয়ান চাইল কমিশন

অবসরের পর পুনরায় নিয়োগ পাওয়া আধিকারিকদের নিয়ে বিতর্কের আবহেই রাজ্যের কাছে বিস্তারিত তথ্য তলব করল নির্বাচন কমিশন। নবান্ন...

সংগঠনেই আস্থা: নয় জেলায় জেলা পরিষদ সভাধিপতিরাই তৃণমূলের প্রার্থী

জনসংযোগ ও মানুষের উন্নয়নের নীতিতে যেখানে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকেও বেশি আসনে জয়ের পরিকল্পনা করেছে...

ভোটের দিনে পরীক্ষা স্থগিত, সিইউ-র সূচিতে বদল

প্রথম দফার ভোটের দিন পরীক্ষার সূচিতে বদল আনতে বাধ্য হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ২২, ২৩ ও ২৪ এপ্রিল নির্ধারিত...

নজিরবিহীন নজরদারি, দিল্লি থেকে আসা ১,১১১ পর্যবেক্ষকের তালিকায় শীর্ষে বাংলা

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে এবার কোমর বেঁধে নামছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত...