Wednesday, June 24, 2026

বিজেপির কাঁঠাল ভাঙার রাজনীতি সরিয়ে উত্তরে জোড়াফুল ফোটানোর বার্তা: জগদীশ বর্মা বসুনিয়া

Date:

Share post:

উত্তরের জেলাগুলিতে পদ্মফুল মুছে জোড়াফুল প্রতিষ্ঠা করার বার্তা একুশের মঞ্চ থেকে দিলেন কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। কোচবিহারের মানুষ যেভাবে বিজেপির মিথ্যে প্রতিশ্রুতিতে না ভুল তৃণমূলকে প্রতিষ্ঠা করেছে, সেভাবেই কোচবিহার থেকে মালদহে জোড়াফুল ফোটানোর বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ।

বিজেপিকে তুলোধনা করে সাংসদ দাবি করেন, “২০১৪ থেকে একটা রাজনৈতিক দল সরল সাদা মানুষগুলির মাথায় কাঁঠাল ভেঙেছে। কখনও বলেছে রাজবংশী বোর্ড, আলাদা রাজ্য করার কথা বলেছে। চা বাগান খুলে দেবে বলেছে। কিন্তু কোনও চা বাগান খুলল না, বন্ধ হয়ে গেল। পঞ্চানন বর্মার মূর্তি হল না, রাজবংশী অ্যাকাডেমি হল না। কয়েকজন নেতা আমাদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খায়। আমরা বুঝতে পারি না।”

সেই সঙ্গে উত্তরের মানুষের জন্য বার্তা দেন, “যারা চিটিংবাজ, কর্মের নামে না ধর্মের নামে ভোট চায়। পেটের ভাত, পরণের কাপড়, মাথার উপর ছাদ, ছেলেমেয়েদের পড়ার স্কুল চাই আমাদের। বিজেপির এই কথায় আমরা আর গলব না। আমার প্রাণের কথা বলে, আমার জন্য কাজ করে তৃণমূল কংগ্রেস, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহারের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে বিজেপির এই কথায় আমরা আর গলব না।”

তিনি বার্তা দেন, “আমাদের লড়াই আরও জোরদার করতে হবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত কোচবিহার থেকে মালদহে জোড়া ফুলের ফুল ফুটবে ততক্ষণ লড়াই করতে হবে। দায়িত্ব আমার আরও বেড়ে গিয়েছে। সবাইকে জোট বাঁধতে হবে। যেভাবে একটা ডাকাত লম্পটকে হঠিয়েছেন কোচবিহারের মানুষ, সেভাবেই সব জায়গা থেকে হঠাতে হবে।”

Related articles

সোনা পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদের ইডি তলব

জমি দখল,তোলাবাজি মামলায় এবার সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) পরিবারের সদস্যদের তলব করল কেন্দ্রীয় সংস্থা। পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন...

এবার বিধানসভার BA কমিটিতে নেই মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের নাম!

বিজনেস অ্যাডভাইজারি কমিটিতেও (Business Advisory Committee) ঋতব্রতপন্থী বিধায়করা। নাম নেই মমতাপন্থী বিধায়কদের নাম। এমনকী নাম রয়েছে বাম (Left)-কংগ্রেস...

তারাতলায় নির্মীয়মান গোডাউনের ছাদ ভেঙে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, ঘটনাস্থলে মন্ত্রী ইন্দ্রনীল – অগ্নিমিত্রা

বুধবার দুপুরে তারাতলার নির্মীয়মান গোডাউনের ছাদের একাংশ ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনা। গুদাম তৈরির কাজ করছিলেন অন্তত ৫০-৬০ জন শ্রমিক।...

মিড ডে মিলের দায়িত্ব কেন বেসরকারি ধর্মীয় সংস্থাকে? শিক্ষাতেও কি গৈরিকীকরণ?

স্কুলছুট কমাতে ও পড়ুয়াদের পাতে পুষ্টি জোগাতে মিড ডে মিল (Mid-day Meal) চালু করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)...