দুই মৃত্যুর পরেই নিশানা রাহুলকে? একের পর এক অভিযোগেও নিরুত্তাপ কংগ্রেস!

এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় অপরাধ দমন শাখার হাতে। এরপরই শনিবার এই তদন্তে সিট (SIT) গঠন করে অমিত শাহের (Amit Shah) পুলিশ

একই দিনে বিক্ষোভ চলাকালীন দুই কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু। আর তারপর দিনই সংসদে বিরোধীদের বিক্ষোভের সময় আহত দুই বিজেপি সাংসদ। তার জেরে রীতিমত এফআইআর (FIR) দায়ের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের পরে আবার মহিলা বিজেপি সাংসদের তোলা অভিযোগ ঘিরে নতুন করে মাঠে নামল জাতীয় মহিলা কমিশন (NCW)। তদন্তে নামল তারাও। তবে এতকিছুর পরেও কর্মীদের মৃ্ত্যু বা রাহুলের নামে অভিযোগ, কোনও কিছু নিয়েই প্রতিক্রিয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকছে কংগ্রেস।

লোকসভায় (Loksabha) আম্বেদকরের অবমাননার বিরোধিতায় সরবব হয়েছে সব বিরোধী দল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে সংসদ চত্বরে। শাসক ও বিরোধী দলের ধাক্কাধাক্কিতে আহত হন ওড়িশার বালেশ্বরের সাংসদ প্রতাপচন্দ্র ষড়ঙ্গী। আহত হওয়ার দাবি করেন বিজেপি সাংসদ মুকেশ রাজপুত। যদিও এই আহত হওয়ার নাটকের অনেক পর্দাই পরে ফাঁস হয় পরে। এই ঘটনায় দিল্লি পুলিশে (Delhi Police) এফআইআর দায়ের হয় রাহুলের বিরুদ্ধে। সেই এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় অপরাধ দমন শাখার হাতে। এরপরই শনিবার এই তদন্তে সিট (SIT) গঠন করে অমিত শাহের (Amit Shah) পুলিশ। অর্থাৎ যে অমিত শাহের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছিলেন রাহুল, সেই শাহ এবার বিচার করবেন রাহুলের।

অন্যদিকে নাগাল্যান্ডের (Nagaland) বিজেপির সাংসদ ফাংগন কন্যাক অভিযোগ করেছিলেন রাহুল তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। তাতে তিনি অপমানিত বোধ করেছেন। সেই মতো লোকসভার স্পিকার (Loksabha Speaker) ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে (Rajyasabha Chairman) ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন নাগাল্যান্ড সাংসদ। এবার সেই অভিযোগে আগ বাড়িয়ে তদন্ত শুরু করল জাতীয় মহিলা কমিশন (NCW)।

লোকসভায় অমিত শাহের আম্বেদকর অবমাননার পরে দেশ জুড়ে প্রতিবাদে নেমেছিল কংগ্রেস। কংগ্রেসের বিক্ষোভে অসমে (Assam) কাঁদনে গ্যাসের (tear gas) জেরে প্রাণ যায় কংগ্রেস লিগাল সেল সম্পাদকের। অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে (Uttarpradesh) বিক্ষোভকারীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জে প্রাণ যায় এক কংগ্রেস কর্মীরা। এই দুই ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস কেন্দ্রীয়ভাবে মাঠে না নামলেও রাজ্যস্তরে প্রতিবাদ হয়েছে। তবে এই দুই মৃত্যুর পরেই রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব বিজেপি। অবশ্য রাহুলের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি কংগ্রেস।