এফসি গোয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে আইএসএল-এর ফাইনালের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বেঙ্গালুরু এফসি। বুধবার শ্রীকান্তিরাভা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম লেগে দাপুটে ফুটবল খেলে গোয়ার দলকে হারায়। এদিন ম্যাচের ৫১ মিনিটের মধ্যে দু’টি গোল হজম করে। তা শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এফসি গোয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর দুর্ভেদ্য রক্ষণে ভাঙন ধরাতে ব্যর্থ উদান্ত সিং, বোরহা হেরেরা, ব্রাইসন ফার্নান্ডেজ, ইকের গুয়ারৎজেনারা।বেঙ্গালুরুর আক্রমণে এদিন অনেক জমাট ছিল।পরিসংখ্যান বলছে ৪২ শতাংশ বল তাদের দখলে ছিল।যদিও মোট ছ’টি শটের মধ্যে পাঁচটিই গোলের লক্ষ্যে রাখে তারা। অন্যদিকে এফসি গোয়ার দশটি শটের মধ্যে আটটিই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তারা দশটি কর্নার আদায় করে ও ৩১টি ক্রস দিয়েও জালে বল জড়াতে পারেনি।

এদিন ৪২ মিনিটের মাথায় গোয়ার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্গনের আত্মঘাতী গোল এগিয়ে দেয় বেঙ্গালুরুকে। এডগার মেনদেজের একটি ক্রস ধরার জন্য যখন রায়ান উইলিয়ামস বক্সের দিকে দৌড়ে যান, তখনই তাকে বাধা দেন এবং বলের নাগাল পেয়ে যান সন্দেশ। কিন্তু বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের গোলেই ঠেলে দেন তিনি।বিরতির পর, ৫১ মিনিটের মাথায়, রায়ান উইলিয়ামসের পাস নামগিয়াল ভুটিয়ার কাছে গেলে তিনি একটি লো ক্রস পাঠান মেনদেজের কাছে। এক হালকা টোকায় বল গোলের মধ্যে পাঠিয়ে দেন মেনদেজ। শেষ কোয়ার্টারে গোল শোধের একাধিক সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি মানোলো মার্কেজের দল।

৫৭ মিনিটের মাথায় নামেন সুনীল। চিৎকারে ফেটে পড়ে শ্রীকান্তিরাভা স্টেডিয়াম। সুনীল কিছু সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। পিছিয়ে পড়ে খেলার ধরন কিছুটা বদলান মার্কেজ়। আক্রমণে ফুটবলার বাড়ান তিনি। কিন্তু একটি ভুল করেন তিনি। আর্মান্দো সাদিকুকে নামাতে অনেকটা দেরি করেন তিনি। ফলে গোয়ার আক্রমণ দানা বাঁধতে পারেনি।

এই হারের ফলে ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে চলেছে এফসি গোয়া। ফাইনালে উঠতে গেলে, তাদের অন্তত তিন গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। দু’গোলের ব্যবধানে জিতলে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে।


–


–

–

–

–
–

–

–