বাংলার বিরুদ্ধে বৃহত্তর চক্রান্ত! যোগ্য-অযোগ্যদের তালিকা আলাদা না হওয়ায় ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্যানেলটাই বাতিল করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি হারালেন ২৫,৭৫২ জন শিক্ষক। একবস্তা চালের মধ্যে থেকে কাঁকর বেছে আলাদা করতে না পেরে পুরো বস্তাটাকেই বাতিলের খাতায় ঠেলে দিল শীর্ষ আদালত। এই রায়ের পরই তৃণমূল আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য ফেসবুকে এক অভিনব ‘গল্প’ শুনিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, পেয়াদার তাড়া খেয়ে একটা গ্রামে কয়েকটা বদমায়েশ ঢুকে পড়েছিল গা-ঢাকা দিতে। অত লোকের মাঝে ওদের খুঁজি কীভাবে? আর খুঁজেই যদি না পাই তবে গর্দান নেব কীভাবে? শেষমেশ সিদ্ধান্ত হল, গোটা গ্রামে আগুন লাগানো হোক। ভিতরে লুকিয়ে থাকা বদমায়েশগুলো নিশ্চয়ই মারা পড়বে। হলও তাই। গ্রাম জ্বলল। হয়তো বদমায়েশগুলোও মরল। দিন কয়েক বাদে আগুন শান্ত হওয়ার পর গ্রামের আনাচ-কানাচ থেকে বেরিয়ে এল হাজার হাজার বুড়ো, বাচ্চার দগ্ধ মৃতদেহ। তবে রাজবাড়িতে উল্লাসে ভাটা পড়েনি— বদমাইশগুলো মরেছে যে!

এই কাল্পনিক কাহিনির মধ্যে দিয়ে তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য আদতে নাম না করে বাম-বিজেপির চক্রান্তকেই আক্রমণ করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টই প্রথম এই ২৫ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। যে বিচারপতি এই নির্দেশ দেন, পরবর্তীতে তিনি বিচারব্যবস্থা ছেড়ে বিজেপির খাতায় নাম লেখান। আর তাঁর সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। তবে এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ সেই স্থগিতাদেশ বাতিল করে ফের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল। বিচারব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়েই এই রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন – বিজেপির রাজনৈতিক এজেন্ডা! ওয়াকফ বিল পাশ করিয়ে নিলেও দীর্ঘস্থায়ী হবে না: তোপ মমতার

_


_


_

_

_

_
_

_

_