ফের একবার বাংলার দুর্নীতিতে নাম জড়ালো উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh)। এসএসসি চাকরি বাতিল মামলায় ওএমআর শিটে গরমিলে অভিযুক্ত অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা। তাঁরাই প্রশ্ন তুলছেন সেই গরমিল হওয়া ওএমআর শিট কীভাবে পঙ্কজ বনসল (Pankaj Bansal) নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গেল। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের (Gaziabad) বাসিন্দা পঙ্কজ কী তবে সেখান থেকেই রাজ্যকে বদনাম করার ছক কষেছিলেন, প্রশ্ন চাকরিহারাদের। তৃণমূলের প্রশ্ন গাজিয়াবাদের বাড়ির ছাদ থেকে পাওয়া তথ্যে ২৬ হাজারের চাকরি বাতিল কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্লট (plot), কি না।

প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হওয়ার পরে চাকরি হারানো শিক্ষকরা নিজেরাই তদন্ত নিয়ে কাটাছেঁড়ায়। তাঁদের প্রশ্ন, কে এই পঙ্কজ বনশল ? কেন তার নাম বারে বারে উঠে আসছে? সিবিআই কেন তার নাম প্রকাশ্যে আনছে না, এই প্রশ্ন উঠছে চাকরিহারাদের মধ্যে থেকেই।

চাকরিপ্রার্থীদের ওএমআর শিটের দায়িত্বে ছিল নাইসা (NYSA) সংস্থা। নাইসা আবার সাবলেট দিয়েছিল স্ক্যানটেক (Scantech) নামের সংস্থাকে। সিবিআই (CBI) তদন্তে নেমে জানায় গাজিয়াবাদে পঙ্কজের (Pankaj Bansal) বাড়ির ছাদ থেকে নাকি বাংলার চাকরিপ্রার্থীদের ওএমআর (OMR) শিট পাওয়া গিয়েছে। পঙ্কজ বনসাল নাইসার (NYSA) এক প্রাক্তন কর্মী। সেখানেই ডাস্টবিনে ভরা ছিল ওই তথ্য। ওই শিটগুলি যে বাংলার চাকরিপ্রার্থীদের, তার গ্যারান্টি কে দিয়েছে, এ নিয়ে হাজারো প্রশ্ন সদ্য চাকরিহারাদের।

সেখানেই রাজ্যের শাসকদলের প্রশ্ন, কেন সেই পঙ্কজকে সামনে আনছে না সিবিআই (CBI)? এদের নিয়েই হাজারো প্রশ্ন চাকরিহারাদের। রহস্য বাড়ছে। কারণ পঙ্কজের বাড়ির ছাদে ওএমআর শিট। কেন তা সংরক্ষণ করে রাখা হয়নি? ১ বছর রেখে দেওয়ার কথা ওএমআর (OMR)। তাহলে যা পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি কী? পরিকল্পিত চাক্রান্ত? বাংলাকে হেয় করার চেষ্টা? বাংলার বিরোধীরা এর সঙ্গে জড়িত নয়তো? বাংলাকে অশান্ত করাই মূল উদ্দেশ্য? রহস্য সন্দেহ বাড়ছে।


–


–

–

–

–
–

–
