Sunday, May 17, 2026

রায় জনস্বার্থে: আইন তৈরিতে রাষ্ট্রপতিকে সুপ্রিম-নির্দেশ, স্বাগত স্পিকার বিমানের

Date:

Share post:

রাজ্যের বিধানসভায় পাস হওয়া বিলকে আইনে পরিণত করতে আর দেরি করতে পারবেন না রাজ্যপাল (Governor) বা রাষ্ট্রপতি (President)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের জেরে স্বস্তিতে রাজ্যগুলি বিশেষত বিরোধী রাজনৈতিক দল পরিচালিত রাজ্যগুলি, যাদের ক্ষেত্রে বিলকে আইনে পরিণত হতে রাজ্যপালের মাধ্যমে বারবার বাধা তৈরি করেছে কেন্দ্রের স্বৈরাচারী মোদি সরকার। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর স্বস্তি বাংলাতেও। কারণ ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় ২৩ বিল (Bill) আটকে রয়েছে রাজ্যপালের স্বাক্ষরের অপেক্ষায়। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের অপেক্ষাতেও আটকে রয়েছে বিল। নতুন রায়ে বাংলার সেই সব বিল আইনে পরিণত করতে সুবিধা হবে, দাবি রাজ্য প্রশাসনে।

বিলকে আইনে পরিণত করতে সিদ্ধান্ত নিতে রাষ্ট্রপতিকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায় স্বস্তির কথা জানালেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় (Biman Banerjee)। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে আমরা আনন্দিত। কারণ একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোন বিল (Bill) কার্যকর না হলে তার তাৎপর্য হারিয়ে যায়। আমাদের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা থেকে পাঠানো ২৩ টা বিল রাজ্যপালের কাছে আটকে রয়েছে। এমনকি ২০১৫ সালে পাস হওয়া দিল আটকে আছে। যেশপ (Jessop) এর মতো বিল যেগুলি জনস্বার্থে করা হয়েছিল তা আটকে আছে। সেগুলো কি অবস্থায় আছে তার কোন হদিস আমরা জানি না।

আদতে যে রাজ্যপাল কোনও বিল আটকে রাখতে পারেন না বা সমস্যা থাকলে নোট পাঠাতে পারেন, সেই বিষয়টিও স্পষ্ট করে দেন স্পিকার। তিনি জানান, ভারতীয় সংবিধানের আর্টিকেল ২০১ ধারায় বলা আছে, রাজ্যপালের কাছে কোন বিল বিধানসভা থেকে পাস হয়ে যাওয়ার পর তিনি তাতে সই করে পাঠাবেন। সেখানে তার যদি কোন মত বা কোন অনুসন্ধান থাকে তাও জানাবেন। তার উপর আবার বিধানসভায় আলোচনা হবে। আবার তাকে সেই বিল পাঠানো হবে। তখন তিনি সেই বিল সই করে দিতে বাধ্য থাকবেন।

এমনিতেই সংবিধান অনুযায়ী বলা আছে যে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ৯০ দিন কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে ৬০ দিন কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে ৩০ দিনের মধ্যে যদি কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া না হয় অথবা সেই সম্পর্কে কোনও নোট দেওয়া না হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে সেটি আইনত পাস হয়েছে। এক্ষেত্রে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় (Biman Banerjee) ক্রিমিনাল প্রসিডিংস-এর কথা উল্লেখ করে জানান, অনেক ক্ষেত্রে ৯০ দিনের মধ্যে চার্জশিট বা আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে না পারলে ক্রিমিনাল স্ট্যাটুটোরি বেল পেয়ে যায়। মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট যে কথা বলেছেন তাকে স্বাগত জানাচ্ছি এই কারণেই, রাজ্যপালের ক্ষেত্রে যেমন সময় নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে, তেমনই রাষ্ট্রপতির (President) কাছে যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলি পাঠানো হয় অনুমোদনের জন্য, এবার সময় নির্দিষ্ট করে সেই বিল যদি সই করতে বলা হয়ে থাকে, তাহলে সেটা জনসাধারণের ক্ষেত্রেই অত্যন্ত সুখের খবর। কারণ রাজ্য সরকার কাজ করে মানুষের স্বার্থেই।

Related articles

ISL: স্বপ্নপূরণের সন্ধিক্ষণে ইস্টবেঙ্গল, ডার্বির টিম কম্বিনেশনে চমক দেবেন অস্কার?

রবিবার আইএসএলে সুপার সানডে।  চলতি আইএসএলে খেতাব নির্ণায়ক ম্যাচ রবিবাসরীয় ডার্বি। দীর্ঘ ২ দশকের খরা কাটানোর সুযোগ ইস্টবেঙ্গলের(East...

কোটি টাকার হাতঘড়ি থেকে রহস্যময় ডায়েরি, শান্তনু-জয়ের ‘যোগসূত্র’ নিয়ে বিস্ফোরক ইডি

প্রমোটার, পুলিশ এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা— এই তিন শক্তির মেলবন্ধনেই কি চলত জমি দখল আর বেআইনি নির্মাণের রমরমা...

IPL: গিল ঝড় থামিয়ে ইডেনে স্বস্তির জয়, টিকে রইল কেকেআরের প্লে-অফের আশা

আইপিএলে(IPL) গুজরাট টাইটান্সকে ২৯ রানে হারাল কেকেআর(KKR), টিকে থাকল প্লে অফের আশা। প্লে অফের লড়াইয়ে থাকতে এই ম্যাচে...

সবুজ সঙ্কেত নবান্নের! কেন্দ্রেরই হাতে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ ও সীমান্তের সাতটি জাতীয় সড়ক

রাজ্যের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক প্রকল্পের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় মহাসড়ক ও পরিকাঠামো সংস্থার...