Friday, January 9, 2026

ব্রিগেডের প্রভাবে শূন্যে বদল হবে না! বামেদের ‘মাঠ ভরানো’কে কটাক্ষ তৃণমূলের

Date:

Share post:

নির্বাচনের আগে ঘটা করে ব্রিগেড সমাবেশ না করলে যেন মান থাকে না রাজ্যের সিপিআইএম (CPIM) নেতাদের। ভরা ব্রিগেডে (Brigade) আসা জনতা ফিরে গিয়ে যে ভোটবাক্সে সমর্থনের প্রতিফলন করেন না, তা ২০১১ সালের পরে পঞ্চায়েত থেকে লোকসভা পর্যন্ত সব নির্বাচনেই স্পষ্ট। কার্যত বাম ভোটেই যে রাজ্যে বিজেপির বাড় বাড়ন্ত তা পরিসংখ্যানেই প্রমাণিত। এরপরেও উন্নয়নের ইস্যু থেকে সরে যাওয়া বামেদের ব্রিগেডে যে তাঁদের ভোট বাক্সে আদৌ কোনও প্রভাব পড়বে না, তা নিয়ে কটাক্ষ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের।

রবিবার ২০ এপ্রিলের ব্রিগেড সমাবেশ বাম শ্রমিক, কৃষক, খেতমজুর, বস্তি উন্নয়ন সমিতির ডাকে। এই চারক্ষেত্রেই বর্তমান রাজ্য সরকার যেভাবে মানুষের পাশে থেকে তাঁদের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপকে সফল করেছে, তাতে রাজ্যের বিরোধিতা করার কোনও যুক্তিই নেই বামেদের কাছে। তা সত্ত্বেও ঘটা করে ব্রিগেড করে কীভাবে বিধানসভায় একটিও আসন জিতবে বামেরা, তা নিয়ে কটাক্ষ তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের। তিনি দাবি করেন, ব্রিগেডে কিছু লোক আনা কোনও ব্যাপার নয়। বামেদের ব্রিগেড এর আগেও হয়েছে। তাহলে ভোটটা কোথায় গেল। সিপিআইএমের প্রথম সারির নেতারা শুধু নিজেদের আসন হারেননি। প্রবীন থেকে নবীন নেতা নিজেদের পাড়ার বুথেও (booth) হারেন। শূন্যটা শূন্যই থাকবে। সিপিআইএমের কোনও বিধায়ক (MLA) হবে না।

রাজ্যে জনসমর্থন হারানো সিপিআইএম এখনও ভোট লুটের তত্ত্ব খাঁড়া করে পিঠ বাঁচানোর চেষ্টায়। সিপিআইএম নেত্রী মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee) এদিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড (Bridage) থেকে দাবি করেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে (parliamentary democracy) না কি বামেদের অস্তিত্ব সংকট এখনও হয়নি। পঞ্চায়েতে জনসমর্থন থাকলেও কেউ তাদের ভোট লুট করেছে। নিজেদের ভোট হারিয়ে সিপিআইএম বাংলা বিরোধী হিসাবে রাজ্যে বিজেপির হাত শক্ত করেছে, তা মীনাক্ষির কথাতেও প্রমাণিত। তাই রবিবারের ব্রিগেডকে হাঁসজারু ব্রিগেড বলে কটাক্ষ কুণালের। তিনি বলেন, এটা একটা কিম্ভূত কিমাকার ব্যাপার। হাঁসজারু ব্রিগেড। ডেকেছে বামেরা, যাচ্ছে বিজেপির ভোটাররা। ব্রিগেডে যারা এসেছেন তারা পাড়ায় গিয়ে ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে। পাঁচ শতাংশের কমে বামেরা। উল্টোদিকে বিজেপির খানিকটা বাড়ছে। তৃণমূলের তো কমছে না। তাই এই ব্রিগেড বামেদের ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও তাৎপর্য নেই। তাৎপর্য, যাচ্ছে লাল পতাকার মঞ্চে, ভোট দেবে বিজেপিকে।

spot_img

Related articles

দু’ঘণ্টা পার, দিল্লিতে এখনও আটক তৃণমূল সাংসদরা! ফেসবুক লাইভে ইডিকে তোপ মহুয়ার 

ঘড়ির কাঁটা বারোটা পেরিয়ে যাওয়ার পরও দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনেই আটক তৃণমূল সাংসদরা। দু'ঘণ্টার বেশি সময় ধরে...

আইপ্যাক কাণ্ডে অভিযোগ দায়ের মুখ্যমন্ত্রীর

গতকাল সেক্টর ফাইভে আইপ্যাক এর অফিসে ইডি হানা, ইডির বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগে বিধাননগর ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত...

সামান্য বাড়ল কলকাতার তাপমাত্রা, দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় জাঁকিয়ে শীত

শুক্রবার সকালে সামান্য বাড়ল কলকাতার তাপমাত্রা (Kolkata Temperature)। আলিপুর হাওয়া অফিস (Alipore Weather Department) জানিয়েছে ১০- ১১ ডিগ্রি...

লজ্জা! এটাই বিজেপি নতুন ভারতের রূপ! সর্বশক্তি দিয়ে তোমাদের হারাবে তৃণমূল, গর্জন অভিষেকের

স্বৈরাচারের নির্লজ্জ সীমায় পৌঁছে গিয়েছে বিজেপি। অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক পথে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করছে। স্বৈরাচারী বিজেপি গণতন্ত্রের শেষটুকু উপড়ে ফেলে...