Saturday, February 21, 2026

ব্রিগেডের প্রভাবে শূন্যে বদল হবে না! বামেদের ‘মাঠ ভরানো’কে কটাক্ষ তৃণমূলের

Date:

Share post:

নির্বাচনের আগে ঘটা করে ব্রিগেড সমাবেশ না করলে যেন মান থাকে না রাজ্যের সিপিআইএম (CPIM) নেতাদের। ভরা ব্রিগেডে (Brigade) আসা জনতা ফিরে গিয়ে যে ভোটবাক্সে সমর্থনের প্রতিফলন করেন না, তা ২০১১ সালের পরে পঞ্চায়েত থেকে লোকসভা পর্যন্ত সব নির্বাচনেই স্পষ্ট। কার্যত বাম ভোটেই যে রাজ্যে বিজেপির বাড় বাড়ন্ত তা পরিসংখ্যানেই প্রমাণিত। এরপরেও উন্নয়নের ইস্যু থেকে সরে যাওয়া বামেদের ব্রিগেডে যে তাঁদের ভোট বাক্সে আদৌ কোনও প্রভাব পড়বে না, তা নিয়ে কটাক্ষ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের।

রবিবার ২০ এপ্রিলের ব্রিগেড সমাবেশ বাম শ্রমিক, কৃষক, খেতমজুর, বস্তি উন্নয়ন সমিতির ডাকে। এই চারক্ষেত্রেই বর্তমান রাজ্য সরকার যেভাবে মানুষের পাশে থেকে তাঁদের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপকে সফল করেছে, তাতে রাজ্যের বিরোধিতা করার কোনও যুক্তিই নেই বামেদের কাছে। তা সত্ত্বেও ঘটা করে ব্রিগেড করে কীভাবে বিধানসভায় একটিও আসন জিতবে বামেরা, তা নিয়ে কটাক্ষ তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের। তিনি দাবি করেন, ব্রিগেডে কিছু লোক আনা কোনও ব্যাপার নয়। বামেদের ব্রিগেড এর আগেও হয়েছে। তাহলে ভোটটা কোথায় গেল। সিপিআইএমের প্রথম সারির নেতারা শুধু নিজেদের আসন হারেননি। প্রবীন থেকে নবীন নেতা নিজেদের পাড়ার বুথেও (booth) হারেন। শূন্যটা শূন্যই থাকবে। সিপিআইএমের কোনও বিধায়ক (MLA) হবে না।

রাজ্যে জনসমর্থন হারানো সিপিআইএম এখনও ভোট লুটের তত্ত্ব খাঁড়া করে পিঠ বাঁচানোর চেষ্টায়। সিপিআইএম নেত্রী মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee) এদিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড (Bridage) থেকে দাবি করেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে (parliamentary democracy) না কি বামেদের অস্তিত্ব সংকট এখনও হয়নি। পঞ্চায়েতে জনসমর্থন থাকলেও কেউ তাদের ভোট লুট করেছে। নিজেদের ভোট হারিয়ে সিপিআইএম বাংলা বিরোধী হিসাবে রাজ্যে বিজেপির হাত শক্ত করেছে, তা মীনাক্ষির কথাতেও প্রমাণিত। তাই রবিবারের ব্রিগেডকে হাঁসজারু ব্রিগেড বলে কটাক্ষ কুণালের। তিনি বলেন, এটা একটা কিম্ভূত কিমাকার ব্যাপার। হাঁসজারু ব্রিগেড। ডেকেছে বামেরা, যাচ্ছে বিজেপির ভোটাররা। ব্রিগেডে যারা এসেছেন তারা পাড়ায় গিয়ে ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে। পাঁচ শতাংশের কমে বামেরা। উল্টোদিকে বিজেপির খানিকটা বাড়ছে। তৃণমূলের তো কমছে না। তাই এই ব্রিগেড বামেদের ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও তাৎপর্য নেই। তাৎপর্য, যাচ্ছে লাল পতাকার মঞ্চে, ভোট দেবে বিজেপিকে।

spot_img

Related articles

কীসের চাপ? মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের আগেই ট্রাম্প-শুল্কে মোদির স্বাক্ষরে প্রশ্ন

সুপ্রিম কোর্টের কাছে সপাটে চড় মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে বিশ্বের দেশগুলির উপর পাল্টা শুল্ক চাপিয়েছিলেন...

বিধানসভা নির্বাচনের সময়েই IPL, দিন ঘোষণার আগে BCCI তাকিয়ে কমিশনের দিকেই

টি২০ বিশ্বকাপ (T20 World CUP)শেষ হলেই শুরু হবে আইপিএল(IPL 2026)। সাধারণত মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই শুরু হয়...

রজতজয়ন্তী বর্ষে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের ‘আমি বাংলায় গান গাই’, কালজয়ী সৃষ্টির উদযাপনে গায়ক পর্ণাভ

সৃষ্টি হয়েছিল নয়ের দশকে, তারপর কখনও বিলম্বিত আবার কখনও দ্রুত লয়ের সুরে বাংলার আট থেকে আশির ঘরে পৌছে...

AI: ভারতের দৈনন্দিন সমস্যায় কার্যকর সমাধান

ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এ প্রদর্শিত উপস্থাপনাগুলি প্রমাণ করে যে, AI ধারণা থেকে বাস্তব ব্যবহারের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এটি...