বাংলার জঙ্গলে ঘেরা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির জন্য হাতির করিডোরের পরিমাণ বাড়ানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ ফের একবার প্রমাণ মিলল। মালগাড়ির (goods train) ধাক্কায় মৃত্যু হল একটি পূর্ণ বয়স্ক দাঁতাল হাতির (tusker)। ধূপগুড়ির (Dhupguri) ওই নির্দিষ্ট এলাকায় হাতির যাতায়াত তেমন না থাকায় ট্রেন গতি (speed) বেশি ছিল। ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হাতিটির।
ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের প্রচেষ্টায় উত্তরবঙ্গে (north bengal) হাতি করিডোরগুলিতে পশু-মানুষ সংঘাত কমানোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু নতুন নতুন এলাকায় হাতির দল ঢুকে পড়ছে সম্প্রতি। ফলে সেগুলি নজর রেখে হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে নতুন করিডোর (elephant corridor) ঘোষণা করতে যে পরিকাঠামো ও আর্থিক সংস্থান প্রয়োজন তার জন্য বারবার কেন্দ্রকে দরবার করা হয়েছে। কিন্তু তাতে কান দেয়নি কেন্দ্রের সরকার। তার খেসারত দিল আরও একটি হাতি।
ধূপগুড়ির ভোটপাড়া এলাকায় পাঁচটি হাতির একটি দল ঢুকে পড়েছিল। কাছাকাছি বড় জঙ্গল না থাকায় হাতিগুলি কোথা থেকে এলো তা বুঝতে পারেননি গ্রামবাসীরা। রবিবার ভোরে সেই দলের একটি হাতির (elephant) মৃত্যু হয় মালগাড়ির (goods train) ধাক্কায়। আরও একটি হাতি গুরুতর জখম হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন মরাঘাট রেঞ্জের (Moraghat range) বন কর্মী ও রেল কর্মীরা। রেল দফতর জানায়, এলাকায় হাতি ঢুকে পড়ার কোনও খবর ছিল না। ফলে মালগাড়িটি জোরে চলছিল।
আরও পড়ুন : উত্তরবঙ্গে প্রথমবার একযোগে চিতাবাঘ গণনা! চার জেলায় বসছে ৮০০ ট্র্যাপ ক্যামেরা
ঘটনার পরে আহত হাতিটিতে উদ্ধার করে নিয়ে যায় বন দফতর (Forest Department)। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে হাতিটিকে জঙ্গলে ছেড়েও দেওয়া হয়। বাকি তিনটি হাতিকেও গ্রাম থেকে জঙ্গলের দিকে পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বন দফতরের কর্মীরা। তবে হাতিটির মৃত্যুতে স্থানীয় বাসিন্দারাও যথেষ্ট ক্ষুব্ধ।
–
–
–
–
–