WBJDF-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে সভাপতি পদ ছেড়েছেন অনিকেত মাহাত (Aniket Mahato)। নিজের মন্তব্য জানানোর পরেই তাঁকে আক্রমণ শুরু হয়েছে। এমনকী, তাঁর একসময়ের সহযোদ্ধা আসফাকুল্লা নাইয়াও স্যোশাল মিডিয়া পোস্টে অনিকেতের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সুর চড়ান। এবার অনিকেত মাহাতর পাশে দাঁড়িয়ে অভয়া আন্দোলনের বর্তমান পরিস্থিতিতে নিশানা করলেন ডাঃ নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Dr. Narayan Banerjee)। তাঁর মতে, “আন্দোলন যদি ব্যক্তিকেন্দ্রীক হয়ে যায়, তাহলে তার থেকে সরে এসে ঠিক করেছেন অনিকেত”।

টাকা নয়-ছয়ের অভিযোগ, আইন মেনে কাজ না করার অভিযোগ জানিয়ে বৃহস্পতিবার, ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন ডাঃ অনিকেত মাহাত। শুক্রবার, সাংবাদিক বৈঠক করে জেডিএফ-এর কাজ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। এমনকী, সিনিয়র রেসিডেন্সিয়াল পোস্ট নেবেন না বলেও জানান। এর পাল্টা আক্রমণ করেছেন ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের (WBJDF) আরেক নেতা আসফাকুল্লা নাইয়া। ‘অপমানিত’ নাইয়া নিজের স্যোশাল মিডিয়া পোস্টে (Social Media Post) পাল্টা আক্রমণ করেন। এর পরেই ভিডিও বার্তায় অনিকেতের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Dr. Narayan Banerjee)।

নারায়ণ বলেছেন, “অনিকেত আমার ঘনিষ্ট। ও অনেকে ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।“ চিকিৎসকের কথায়, যাঁরা অনিকেতকে আক্রমণ করছেন, তাঁরা আমার সঙ্গে কুণাল ঘোষের আলোচনাকেও ধিক্কৃত করেছিল।“
নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, অভয়ার বিচার হবে বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে। অনিকেত যা ভালো মনে করেছেন, সেটাই করেছেন। ওকে দোষী করবেন না।

নারায়ণের কথায়, “অভয়া আন্দোলনের সময় আমার মনে হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অনশনকারীদের বৈঠক হওয়া উচিৎ। সেইসময় আমায় ট্রোল করা হয়।“ অনিকেতের স্বাধীনতা আছে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার। সে যদি মতে করে অভয়ার আন্দোলন অন্যদিকে যাচ্ছে, আন্দোলন যদি ব্যক্তিকেন্দ্রীক হয়ে যায়, সে সরে যেতেই পারে।- মত ডাঃ ব্যানার্জির।

–

–

–

–

–


