অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নির্দেশে রূপশ্রীর অনুদান না পাওয়া দুই মহিলা চা শ্রমিকের পাশে দাঁড়ালেন আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল (Suman Kanjilal)। শনিবার মাঝের ডাবরী চা বাগানে রূপশ্রীর টাকা না পাওয়ার অভিযোগ সামনে আসার পরই দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়। রবিবার বিধায়ক নিজে গিয়ে আবেদনকারীদের বাড়ি থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।

জানা গিয়েছে, মাঝের ডাবরী চা বাগানের বাসিন্দা মিলা নাগাশিয়ার বিয়ের পর রূপশ্রীর অনুদানের জন্য আবেদন করা হলেও এখনও পর্যন্ত তিনি ২৫ হাজার টাকার অনুদান পাননি। বিষয়টি শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় তুলে ধরা হয়। সেখানেই তিনি মিলাকে আশ্বাস দেন, দ্রুত রূপশ্রীর অনুদান পাইয়ে দেওয়া হবে।

এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল মিলার বাড়িতে গিয়ে তাঁর বিয়ের শংসাপত্র ও রূপশ্রীর আবেদনের সমস্ত নথি সংগ্রহ করেন। সেই সময় মিলার বাড়িতেই আর এক মহিলা চা শ্রমিক স্বরস্বতী মুন্ডার সমস্যার কথাও জানতে পারেন বিধায়ক। জানা যায়, প্রায় দু’বছর আগে প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক গণবিবাহে বিয়ে হয়েছিল স্বরস্বতীর। কিন্তু নানা কারণে রূপশ্রীর অনুদানের টাকা তিনি পাননি।
স্বরস্বতী জানান, মিলার সমস্যা শুনে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাসের কথা জেনে তিনি নিজেও যোগাযোগ করেন। বিধায়ক বাড়িতে আসতেই তিনি তাঁর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দেন।

বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে মিলার কাগজপত্র নিতে এসে আরও এক জনের একই সমস্যা চোখে পড়ে। দু’জনেরই নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুত প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে। আশা করা যায়, খুব শীঘ্রই তাঁরা রূপশ্রীর অনুদানের টাকা পেয়ে যাবেন।

প্রসঙ্গত, শনিবার ‘আবার জিতবে বাংলা’ কর্মসূচির আওতায় মাঝের ডাবরী চা বাগানে এসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চা শ্রমিকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি রূপশ্রীর অনুদান না পাওয়া এক বিবাহিতা চা শ্রমিকের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তব রূপ মিলল বিধায়কের তৎপরতায়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে প্রশাসনিক উদ্যোগে খুশি ওই দুই রূপশ্রী প্রাপক এবং তাঁদের পরিবার।

আরও পড়ুন – সম্প্রীতির লিট্টি-চোখা উৎসব: বিভেদের রাজনীতিকে কটাক্ষ তৃণমূলের

_

_

_
_


