নতুন বছরের শুরুতেই রাজ্যের স্কুলগুলিতে শিক্ষকদের জন্য একগুচ্ছ নিয়ম বেঁধে দিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সময়ানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রত্যেকটি স্কুলে বিস্তারিত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে বলে পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই নির্দেশিকায় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্কুলে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় স্পষ্ট করে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে অনুষ্ঠিত প্রার্থনা সভায় সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। ১০টা ৪০ মিনিটের পরে স্কুলে পৌঁছলে ‘লেট’ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং ১১টা ১৫ মিনিটের পরে এলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে সেদিনের জন্য অনুপস্থিত বলে ধরা হবে। পাশাপাশি, বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের আগে কোনও শিক্ষক-শিক্ষিকা বিদ্যালয় ত্যাগ করতে পারবেন না।

পর্ষদের নির্দেশিকায় ক্লাস চলাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে কোনও শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রাইভেট টিউশন করাতে পারবেন না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
বিদ্যালয় চত্বরকে তামাকমুক্ত রাখা, পড়ুয়াদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দায়িত্ব প্রধান শিক্ষকদের উপর বর্তেছে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন শিক্ষা ও কল্যাণমূলক প্রকল্প পড়ুয়াদের কাছে সঠিক ভাবে পৌঁছচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের নোডাল টিচার হিসেবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে পর্ষদ।

পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা এবং বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ও দায়বদ্ধতা আরও জোরদার করতেই এই নতুন বিধি চালু করা হয়েছে। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে স্কুলে সময়ানুবর্তিতা ও পঠনপাঠনের মান আরও উন্নত হবে বলে আশা কর্তৃপক্ষের।

আরও পড়ুন – দক্ষতা ও কেরিয়ারে জোর! স্কুলস্তরে নতুন নির্দেশিকা সমগ্র শিক্ষা মিশনের

_

_

_

_
_


