ফুলবাগানে অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক কেন্দ্রের সূচনা করল বিজয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই নতুন কেন্দ্রের মাধ্যমে শহরের পূর্ব প্রান্তে উন্নত ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যপরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রটির অন্যতম আকর্ষণ আধুনিক ৩ টেসলা এমআরআই, যা কলকাতার ডায়াগনস্টিক পরিকাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

সংস্থার দাবি, নতুন ফুলবাগান কেন্দ্রটি উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞ চিকিৎসক–কর্মীদের সমন্বয়ে এক ছাদের নিচে বিস্তৃত ডায়াগনস্টিক পরিষেবা দেবে। এখানে থাকছে ডিজিটাল এক্স-রে, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, ইকো ডপলার, লিভার ইলাস্টোগ্রাফি, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও কোলোনোস্কপি, পিএফটি, ইসিজি, পাশাপাশি ২৪, ৭২ ও ১০০ ঘণ্টার হোল্টার মনিটরিং-এর সুবিধা। বিভিন্ন বিশেষায়িত ল্যাবরেটরি পরীক্ষার পাশাপাশি হোম কালেকশন পরিষেবা ও ওয়েলনেস হেলথ চেক-আপ প্যাকেজও মিলবে বলে জানানো হয়েছে।

উদ্বোধন উপলক্ষে বিজয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেয়ারম্যান ড. সুরেন্দর রেড্ডি বলেন, ফুলবাগানে এই উন্নত ইমেজিং সুবিধাসহ কেন্দ্রটি অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যপরিষেবার চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। যত্ন, বিশ্বাস ও প্রযুক্তি—এই তিনটি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করেই সংস্থার পরিষেবা গড়ে উঠেছে বলে তিনি জানান। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও সুপ্রিতা রেড্ডি বলেন, রোগীকেন্দ্রিক পরিষেবাই বিজয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মূল লক্ষ্য। আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ পেশাদারদের সহায়তায় ফুলবাগান কেন্দ্র থেকে বিশ্বমানের পরিষেবা দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
গ্রাহকদের সুবিধার্থে অনলাইন বুকিং, বাড়িতে নমুনা সংগ্রহ এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত রিপোর্ট পাওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। চার দশকের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিজয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার বর্তমানে দেশের একাধিক রাজ্যে পরিষেবা দিচ্ছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ফুলবাগান কেন্দ্রের সূচনা। আগামী দিনে রাজ্যের টিয়ার–২ ও টিয়ার–৩ শহরগুলিতেও পরিষেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়েছে বিজয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

আরও পড়ুন- জ্যাভাথন থেকে সমাবর্তন! জানুয়ারি জুড়ে জেভিয়ার্সের ঠাসা কর্মসূচি

_

_

_

_

_
_


