রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার বর্তমান পরিস্থিতি ঠিক কেমন, তা নিয়ে প্রতি সপ্তাহে এবার সরাসরি রিপোর্ট নেবে নির্বাচন কমিশন। বছরের শুরুতেই দেওয়া সেই নির্দেশ মেনে দিল্লির সদর দফতরে প্রথম সপ্তাহের খতিয়ান পাঠাল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফার এই রিপোর্টে দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলার ঘটনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা না হলেও, এখন থেকেই রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর রাশ টানতে চাইছে কমিশন। সেই কারণেই প্রতি সাত দিন অন্তর জেলাগুলি থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সামগ্রিক রিপোর্ট পাঠানোর এই নজিরবিহীন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রথম রিপোর্টে চন্দ্রকোনার ঘটনাটিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে শনিবার রাতে বিরোধী দলনেতার কনভয় লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। একইভাবে, চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের অভিঘাত এবং তার পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টিও রিপোর্টে ঠাঁই পেয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, সচরাচর ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর কমিশন এতটা সক্রিয় হয়। কিন্তু এবার বছরের শুরু থেকেই সাপ্তাহিক রিপোর্ট তলব করার অর্থ হলো, বাংলার প্রতিটি রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং অশান্তির ঘটনার ওপর দিল্লির কড়া নজরদারি রয়েছে। মূলত গোলমালপ্রবণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করা এবং নির্বাচনের আগে শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই আগাম তৎপরতা।
আরও পড়ুন- নতুন বছরে পর্যটকদের বড় উপহার, ফের চালু দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের জঙ্গল সাফারি
_
_
_

_
_

_
_
_


