কলকাতার হেরিটেজ ল্যান্ডমার্ক (Heritage landmark of Kolkata) এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পি অ্যান্ড সি এবং কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজের (Kolkata society for cultural heritage) তরফে চলতি বছরের ক্যালেন্ডার (new year calendar) প্রকাশিত হল। নেতাজি জন্মজয়ন্তীর দিনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার (ইস্ট অ্যান্ড নর্থইস্ট ইন্ডিয়া) ড. অ্যান্ড্রু ফ্লেমিং (Andrew Flaming) এবং কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজের প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ মুখোপাধ্যায় (Sourav Mukhopadhyay), উদ্যোক্তা ও ক্যালেন্ডার ২০২৬-এর প্রধান মুখ বিলকিস পারভিন (Bilkis Parveen)। এটা শুধুমাত্র কোন সাধারণ ক্যালেন্ডার নয়, এ যেন এক শিল্পকর্ম। প্রতিটা পাতায় চমৎকার ফটোগ্রাফি, চিন্তাশীল রচনা এবং সমকালীন নকশার মাধ্যমে কলকাতার বিখ্যাত স্থাপত্য গুলিকে তুলে ধরা হয়েছে।


ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ড. অ্যান্ড্রু ফ্লেমিং,বলেন, “পি অ্যান্ড সি এবং KSCH-এর যুগলবন্দিতে তৈরি এই ক্যালেন্ডার এক কথায় অনবদ্য। এই শহরের ঐতিহ্য শুধুমাত্র স্মৃতিস্তম্ভের মাধ্যমে সংরক্ষিত নয়, বরং এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ফ্যাশন এবং ইতিহাসের মেলবন্ধন হয়, যা আসলে সাংস্কৃতিক এই মহানগরীকে বিশ্বের সাথে সংযুক্ত করে। কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজের (KSCH) প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ মুখোপাধ্যায়ের কথায়, এই ক্যালেন্ডার আমাদের তিলোত্তমার নান্দনিক দিক এবং সাংস্কৃতিক গভীরতাকে একত্রিত করে। আইকনিক ল্যান্ডমার্কগুলিকে সকলের সামনে তুলে ধরে। এমনকি ডিজিটাল যুগেও, এই ধরনের কাজগুলি আমাদের শিল্প এবং স্মৃতির সাথে সম্পৃক্ততার আনন্দের কথা মনে করিয়ে দেয়। এটা এমন একটা স্মৃতিচিহ্ন যা সংগ্রাহক উৎসাহীরা বছর শেষ হওয়ার পরেও নিজেদের কাছে রেখে দিতে চাইবেন।


উদ্যোক্তা, ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার ও ক্যালেন্ডার ২০২৬-এর প্রধান মুখ বিলকিস পারভিন বলেন, “ পি অ্যান্ড সি (P&C) এবং কেএসসিএইচ এই বছরের ক্যালেন্ডার তৈরি করেছে। কলকাতার এই সৌন্দর্যকে আমরা একত্রে তুলে ধরতে পেরেছি। যদিও ডিজিটাল যুগের নানা সরঞ্জাম আমাদের প্রতিদিনের পরিকল্পনাকে নিয়ন্ত্রণ করে, তবুও এই ক্যালেন্ডার সংগ্রাহকদের কাছে দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আমার মনে হয়।”

–

–

–

–

–

–

–
–


