অভিনেতা-সাংসদ দেব, মন্ত্রী শশী পাঁজা, প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর কাছেও পৌঁছে গিয়েছে এসআইআর নোটিশ। বাদ যাননি সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত। এবার নোটিশ পৌঁছে গেল তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্যের(Debangshu Bhattacharya )কাছে। নোটিশ পেতেই রীতিমত ক্ষুব্ধ হলেন দেবাংশু। জানালেন “এআই দিয়ে তৃণমূল সমর্থকদের প্রোফাইল ট্র্যাক করা হচ্ছে। তারপর সেই লিস্ট বিজেপি তুলে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পুরোটাই তৃণমূল সমর্থকদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত।”

দেবাংশুর(Debangshu Bhattacharya )মতে “আমাকে ২৭ জানুয়ারি যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আমি একা নই। আমি আমার দিদি-সহ আমাদের পরিবারের ৪ জন ডাক পেয়েছেন। এখনও পর্যন্ত চারজন ডাক পেয়েছি। আমি এটুকু বলতে পারি আমার কাকু-কাকিমা এবং মা-বাবা প্রত্যেকেরই ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল। সেই সূত্রে আমাদের প্রোজেনি ম্যাপিং হয়েছে। সে কারণেই ৫৮ লাখের তালিকায় আমাদের কারও নাম আসেনি। অর্থাৎ আমরা পাশ করে গিয়েছিলাম।”

দেবাংশু বলছেন “আমার মা-বাবা, দিদি, আমার প্রত্যেকের নামের বানান, বয়সের ক্ষেত্রেও কোনও কার্ডের সঙ্গে কোনও কার্ডের গড়মিল নেই। শিশিরবাবুর মতো কুমার মাঝখানে ঢোকেনি নতুন করে। চন্দ্রও ঢোকেনি, বা চন্দ্র কুমার বাদ গিয়েছে, এমন কিছুই হয়নি। আমার ডেট অফ বার্থও ঠিক আছে। তাও কেন নোটিস পাঠানো হল সেটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নই।”

এরপরেই কমিশনের বিরুদ্ধে সুর ছড়িয়ে তিনি বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ট্র্যাক করিয়ে খোঁজার চেষ্টা করছে কারা তৃণমূল সমর্থক। তৃণমূল সমর্থক তো বটেই তাঁদের পরিবারের কাছেও নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। ১০জনের কাছে নোটিশ গেলে তার মধ্যে ৮ জনই তৃণমূল। এই কাজটা বিজেপি এআই এর মাধ্যমে করছে। সরাসরি নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দিচ্ছে। এদের উদ্দেশ্যই তৃণমূল সমর্থকদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া।”

–

–

–

–

–



