আনন্দপুরের কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে( Massive fire in Anandapur factory) এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ভিতরে আরও অনেকে আটকে রয়েছেন বলে অভিযোগ পরিবারের। সোমবার ভোররাতে আনন্দপুরের ওই কারখানায় আগুন লাগে। একের পর এক দমকলের মোট ১২টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ চালাচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস(Arup Biswas)। তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রনে এলেও ভিতরে ধোঁয়া ভরে রয়েছে। এখন সেটা বের করাই মূল কাজ।

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ওই কারখানায় ভোররাতে এই আগুন লাগে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ভয়ঙ্কর আকার নেয়। কালো চারপাশ ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কারখানার একটি অংশ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। দেওয়ালে ফাটল ধরেছে। ভেঙে পড়েছে ছাদের একাংশ। আরও পড়ুন: SIR আতঙ্কের জেরে ফের মৃত্যুর অভিযোগ

অগ্নিকাণ্ডের সময় ভিতরে শ্রমিকরা ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ সেখান থেকে তাঁরা বাঁচানোর আর্জি জানিয়ে বাড়িতে ফোন করেন। তবে এখন তাঁদের মোবাইল ফোন বাজলেও কেউ ধরছেন না বলে অভিযোগ আত্মীয়দের।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারইপুর জেলা পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিকের খোঁজ মিলছে না।

ঘটনাস্থলে যান মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। জ্বলন্ত কারখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে উপস্থিত ‘নিখোঁজ কর্মীদের’ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। একটি কাগজে অনেক কিছু লিখতে দেখা যায় তাঁকে। পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ধোঁয়ায় ভিতর ঢেকে আছে। পুরো কারখানার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই আর কেউ আটকে আছে কি না তা বোঝা যাবে।

–

–

–

–

–


