প্রথম দিন থেকেই ‘স্বনির্ভর বাংলা’ শিবিরে উপচে পড়ছে ভিড়। এবার অন্তর্বর্তী বাজেটে ঘোষিত নতুন প্রকল্প যুবসাথীতে নাম নথিভুক্ত করতে আবেদন গ্রহণের প্রথম দিনেই সাড়া পড়ে গিয়েছে। তারপর রবিবার রাত ১২টা থেকে খুলে গিয়েছে নির্ধারিত পোর্টাল। https://apas.wb.gov.in ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারছেন যুব-সমাজ। অফলাইনে প্রথম দিনেই নথিভুক্ত হয়েছে মোট ৬ লক্ষ ২৯ হাজার আবেদন। তার মধ্যে ৫ লক্ষ ৬৬ হাজারই ‘যুবসাথী’। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে নাম নথিভুক্ত করেছেন ৩১ হাজার মহিলা। আর খেতমজুরদের আর্থিক সুবিধা পেতে আবেদন করেছেন সাড়ে ৩৬ হাজার উপভোক্তা। এদিন অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও চলব আবেদন।

রাজ্য জুড়ে আয়োজিত হচ্ছে ৭৬৯টি শিবির। সেই শিবিরগুলিতে লাইন দিয়ে মানুষ নাম নথিভুক্ত করছেন। বিশেষ করে যুবসাথী প্রকল্পে পরিষেবা পেতে রাজ্যে উন্মাদনা। এবার শিবিরগুলির উপর চাপ কমাতে অনলাইন আবেদনের পোর্টালও খুলে দেওয়া হয়েছে। উপরিউক্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে। লিঙ্কে ক্লিক করলেই বাঁদিকে স্বনির্ভর বাংলা এবং ডানদিকে যুবসাথী প্রকল্পের অপশন। এরপর যুবসাথীর ‘ক্লিক টু অ্যাপ্লাই’-এ ক্লিক করলেই মিলবে ‘অ্যাপ্লাই অনলাইন’। সেজন্য প্রথমে পোর্টালে লগইন করে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, মার্কশিট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, জাতিগত শংসাপত্র, সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং সাদা কাগজে সই-এর স্পষ্ট ছবি আপলোড করতে হবে। তারপর করতে পারবেন ফর্ম ফিলাপ। এরপর মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপি দিলেই যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আবেদনপত্রের প্রতিলিপি ডাউনলোড করার সুবিধাও রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে কপি সংরক্ষণ করে রাখার ব্যবস্থাও। উল্লেখ্য, এবার বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণার পর জানানো হয়েছিল, প্রকল্পটি ১ এপ্রিল থেকেই কার্যকর হবে। সেইমতো ১৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদনপত্র বিলি করা হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক পাশ যুবক-যুবতীরা এখানে আবেদন করতে পারবেন। কর্মসংস্থান না পাওয়া পর্যন্ত আগামী পাঁচ বছর মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন তাঁরা। আরও পড়ুন: অভির মনে শুধুই আইএএস! তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে দাপুটে আমলা

শিবিরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং খেতমজুরদের আর্থিক সহায়তারও আবেদন জমা নেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রেও প্রথম দিনেই নতুন আবেদন জমা পড়েছে ৬০ হাজারের বেশি। দ্বিতীয় দিনে যুবসাথী-সহ অন্য তিন প্রকল্প-প্রাপ্তির আবেদনের সংখ্যাটা দ্বিগুণ ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।

–

–

–

–

–

–

–


