ধর্ষকদের স্বর্গরাজ্য উত্তরপ্রদেশ! নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও সবরকম অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সমার্থক শব্দ হয়ে গিয়েছে যোগীরাজ্য। গোটা রাজ্য আজ আতঙ্কে, নারী আজ অসহায়! প্রতিদিন বাড়ছে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা, অথচ সরকারের চোখে বন্ধ। এবার উত্তরপ্রদেশে (Utter Pradesh) বালিয়ায় এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে গ্রামের পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধেবেলায় বাড়ির কাছেই একটি মাঠে খেলছিলেন তিনি। হঠাৎ সেখানে গ্রামের পাঁচ যুবক এসে কিশোরীকে (Minor Girl) শাসান। তারপরেই তাঁর মুখ চেপে ধরে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর সেখান থেকে অভিযুক্তেরা পালিয়ে যান।

ঘটনার পর কোনও রকমে বাড়িতে ফিরে আসে কিশোরী (Minor Girl)। একটু চাপ দিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই গোটা ঘটনাটি জানান তিনি। এরপরেই পুলিশের দ্বারস্থ হয় নির্যাতিতার পরিবার। গ্রামের পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ (Police) সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের বয়স ২০-২৫ বছরের মধ্যে। সকলেই একই গ্রামের বাসিন্দা কিন্তু অদ্ভুতভাবে অভিযুক্তদের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে। কাউকেই গ্রেফতার করা যায়নি। এখানেই বারংবার কাঠগড়ায় উঠছে যোগী প্রশাসন। একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেই চলেছে! ডবল ইঞ্জিন সরকার পরিচালিত এই রাজ্যে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির মতন ঘটনা অতি সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, এই রাজ্যের বান্দা জেলায় এক দলিত কিশোরীকে অপহরণ করে একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এখানেই শেষ নয়, প্রমাণ লোপাট করতে তাঁকে একটি সেতুর নীচে ফেলে দেওয়া হয়। এই ক্ষেত্রেও অভিযুক্তেরা সকলেই নাবালক। জানা গিয়েছে, কিশোরীকে লক্ষ্য করে কিছু স্প্রে করা হলে তিনি জ্ঞান হারান। তারপর তাঁকে তুলে একটি হোটেল (Hotel) নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্তেরা সকলেই কিশোরীর পরিচিত। যোগীরাজ্যে গত জানুয়ারি মাসে এক শিশুকে গণধর্ষণের পর ছাদ থেকে ছুড়ে ফেলার অভিযোগও উঠেছিল।

–

–

–

–

–

–

–


