হুগলির (Hooghly Violence) বলাগড়ে ছেলে ধরা সন্দেহে মা-মেয়ে ও তাঁদের গাড়ির চালককে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টার ঘটনায় ২৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে চুঁচুড়া আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক ফার্স্ট কোর্ট (Fast Track Court Verdict)। বিচারক পীযূষ কান্তি রায় শুক্রবার মূল অপরাধী গোপাল রায় ও পূর্ণিমা মালিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। বাকি ২৩ জনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি, বলাগড়ের আসানপুর গ্রামে। ছেলে ধরা সন্দেহে এক মা, তাঁর কন্যা এবং গাড়ির চালককে গণপিটুনি দেওয়া হয়। অভিযোগ, তাঁদের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি দ্রুত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনাস্থলে পৌঁছনো পুলিশকেও আক্রমণ করা হয়। তীরবিদ্ধ হন এক সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং আহত হন ১১ জন পুলিশকর্মী। এই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ২৭ জন সাক্ষী পেশ করেন সরকারি আইনজীবী জয়ন্ত সাহা। বৃহস্পতিবার আদালত ২৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। পরদিন সাজা ঘোষণা করা হয়। আরও পড়ুন: বেকারত্বে শীর্ষে ডবলইঞ্জিনের রাজ্য, বাংলায় হার মাত্র ৩.৬%

মুখ্য সরকারি আইনজীবী শংকর গাঙ্গুলী জানান, একটি মামলায় একসঙ্গে ২৫ জনের সাজা ঘোষণা নজিরবিহীন। মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন অলোক চট্টোপাধ্যায়। আদালতের এই রায়ে গণহিংসার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা গেল বলেই মনে করছেন আইনজ্ঞ মহল।

–

–

–

–

–

–

–


