নন্দীগ্রামে তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেবাশ্রয় ক্যাম্প করার পর সাধারণ মানুষ সেখানে ভিড় করেছে বিপুলভাবে। আর তার প্রভাব যে নন্দীগ্রামের (Nandigram) রাজনীতিতে পড়তে শুরু করেছে, তা বলাই বাহুল্য। ফের এক পঞ্চায়েতে এবার বদলের কাজ শুরু। বিজেপির পঞ্চায়েত প্রধানের (panchayat pradhan) বিরুদ্ধে অনাস্থায় স্বাক্ষর বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের। বিজেপি থেকে তৃণমূলের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের যোগদানের ফলেই এই অনাস্থা (no confidence)।

এই ঘটনা এমন দিনে যার আগের দিনই নন্দীগ্রামে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। এবং সেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে জেতানোর পরে নন্দীগ্রামের মানুষ যে শান্তির পরিবেশ পেয়েছে, তা এখন গোটা বাংলার মানুষ চাইছেন। আদতে নন্দীগ্রামের মানুষের মনই যে বুঝতে পারেননি শুভেন্দু (Suvendu Adhikary), এই অনাস্থায় আরও একবার প্রমাণিত।

নন্দীগ্রামের কালিচরণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে গত পঞ্চায়েত ভোটে ১৭ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পায় ১০টি। এবং বিজেপি পায় ৭টি আসন। কিন্তু প্রধানের আসনটি ছিল এসসি সংরক্ষিত। সেই আসনটিতে বিজেপি প্রার্থী জয়লাভ করে। সেই মতো গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হন বিজেপি সদস্যা দীপালি দাস। গত শুক্রবার বিজেপির আরেক সংরক্ষিত আসনের পঞ্চায়েত সদস্য তনুশ্রী দাস যোগ দিয়েছিল তৃণমূলে। এবার সেই তনুশ্রীসহ তৃণমূলের বাকি ১০ সদস্য প্রধানের (panchayat pradhan) বিরুদ্ধে অনাস্থা (no confidence) আনলেন। মোট ১১ জন সদস্য প্রধানের অপসারণের দাবিতে অনাস্থা প্রস্তাব দিলেন নন্দীগ্রাম-১ বিডিওর কাছে।

আরও পড়ুন : জনহীন গদ্দারের স্বাস্থ্য শিবির, সেবাশ্রয়-ই ভরসা নন্দীগ্রামের

প্রাথমিকভাবে বিজেপির প্রধানের কাজের বেনিয়মকে সামনে রেখেই এই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে বলে দাবি তৃণমূল সদস্যদের। প্রধান দীপালি দাস ইচ্ছেমত কাজ করছেন, তিনি নানান দূর্নীতিতে যুক্ত অভিযোগ তাঁদের। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান।

–

–

–

–

–


