Saturday, May 30, 2026

সর্বোচ্চ লড়াই করতে পারেন মমতা, মৃত্যু পর্যন্ত পাশে থাকব: ধর্না মঞ্চে থেকে সরব জয়  গোস্বামী

Date:

Share post:

ধর্মতলায় ধর্নামঞ্চ থেকে তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) লড়াইকে কুর্নিশ কবি জয় গোস্বামী (Joy Goswami)। ভগ্ন শরীরেই শুক্রবার, ধর্নামঞ্চে হাজির হন তিনি। আর মঞ্চ থেকেই জানান, “আমি সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ে একজন আবেদনকারী। সেই আবেদন যে আমি করতে পারি, এই শরীর নিয়ে যদি করতে পারি, সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন মমতা। এই এসআইআরের জন্য কত মানুষ মারা যাচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ লড়াই করতে পারেন মমতা।“ জয় গোস্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, “এই এসআইআরে উনিও ভিক্টিম। ওঁকেও হেয়ারিংয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। এটা ‘ইনসাল্ট’ ছাড়া আর কিছু নয়। ‘হিউমিলিয়েশন’ ছাড়া আর কিছু নয়।“

এদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে জয় গোস্বামী (Joy Goswami) বলেন, “আমি কয়েকটা পুরনো কথা বলব। ওঁদের কথা বলার পরে আমার কথা নির্জীব। আমি এখানে কেন এসেছি? সেটা ব্যক্তিগত। আমার তখন তিনটে সার্জারি একসঙ্গে হয়েছে। সেই সময়ে আমার বাড়ি ফোন এল যে আমার ভোটাধিকারের অধিকার প্রমাণ দিতে হবে। সে সব কথা আমার স্ত্রী-কন্যা আমায় জানাননি। তাঁরা ব্যবস্থা করেছিলেন। ২১ ফেব্রুয়ারি মমতার ডাকে গিয়েছিলাম। আমি সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ে একজন আবেদনকারী। সেই আবেদন যে আমি করতে পারি, এই শরীর নিয়ে যদি করতে পারি, সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন মমতা। এই এসআইআরের জন্য কত মানুষ মারা যাচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ লড়াই করতে পারেন মমতা।“

মঞ্চে নস্টালজিক কবি স্মরণ করেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কথা। বলেন, বলেন, “আমি বললাম, ‘বাড়ি যাবেন তো মমতা?’ উনি বললেন, ‘নন্দীগ্রাম যাব।’ আমি বললাম, ‘এখন?’ উনি মুড়ি খেতে খেতে শান্ত গলায় বললেন, ‘কাজ করা ছাড়া আর আমাদের কী করার আছে জয়দা?’“মহাশ্বেতা দেবীর বাড়িতে রাত ১১টা ১৫ মিনিটে হওয়া আরও একটি ঘটনার উল্লেখ করে জয় গোস্বামী। তাঁর সংযোজন, “মৃত্যু পর্যন্ত মমতা যেখানে থাকবেন, আমি থাকব। তাঁর পাশেই আমি থাকব।“

জয় গোস্বামীর বলেন, “নন্দীগ্রামে ১৪ মার্চ যখন গুলি চলে, সেই রাতে একজন গাড়ি নিয়ে চললেন নন্দীগ্রাম পৌঁছোবেন বলে। তাঁর সঙ্গী ছিলেন কবীর সুমন। তাঁদের তিন বার রাস্তায় বাধা দিয়েছে তৎকালীন সরকারের পুলিশ। তিনি প্রণব মুখোপাধ্যায় এমনকী, মনমোহন সিংকে ফোন করেছেন। তিনবার রাস্তা ‘ক্লিয়ার’ করে পৌনে ৪টের সময় হাসপাতালে পৌঁছোন। তখন একটার পর একটা লোক মারা যাচ্ছেন। ভোর ৫টা তিনি নন্দীগ্রামে পৌঁছোন। (কবীর সুমনকে দেখিয়ে) সে দিন ওঁর সঙ্গে ছিলেন এই মানুষটি।“

Related articles

কালবৈশাখীতে নিম্নমুখী তাপমাত্রা, শনিতেও ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস!

আলিপুর হাওয়া অফিসের (Alipore Weather Department) পূর্বাভাস সত্যি করে শুক্রবারের হঠাৎ কালবৈশাখী কলকাতার তাপমাত্রা একধাক্কায় কমিয়েছে প্রায় পাঁচ...

বাংলায় সার্ভাইকাল ক্যান্সারের টিকাকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে স্বাস্থ্যপরিষেবা নিয়ে বড় আপডেট মুখ্যমন্ত্রীর

মহিলাদের সার্ভাইকাল ক্যান্সারের প্রতিরোধে বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের (Govt of West Bengal) । শনিবার সকালে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতাল...

চন্দননগর পুরনিগমে মেয়র-সহ ৩০ কাউন্সিলরের পদত্যাগ

হুগলির চন্দননগরে (Chandannagar, Hooghly) ভেঙ্গে গেল পুরবোর্ড। শুক্রবার পুরনিগমের মেয়র-সহ ৩০ জন তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করেন৷ ফলে ৩৩...

পথে-প্রতিবাদে তৃণমূল সুপ্রিমো, মমতার কর্মসূচির কথা জানিয়ে চিঠি গেল পুলিশে

ভোটের ফলপ্রকাশের প্রায় একমাস পর প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে রাস্তায় নামছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আগামী ২...