প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার যে ভারতেও প্রশ্নের মুখে তা নিয়ে গোটা দেশকে সোমবার পর্যন্ত অন্ধকারে রেখেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। অবশেষে সোমবার মধ্যরাতে দেশের জরুরি পরিষেবায় যাতে এলপিজি সরবরাহ (LPG supply) বন্ধ না হয়, তা নিয়ে পদক্ষেপের উদ্যোগ মাত্র নিয়েছে কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। কিন্তু রাত পোহাতেই এলপিজি সরবরাহ বন্ধের প্রভাব রাজ্যের হাসপাতালে। এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital) বাণিজ্যিক গ্যাসের (commercial gas) সরবরাহ বন্ধের জেরে ঘরোয়া গ্যাসেই (domestic gas) শুরু রোগীদের রান্না।

বাংলাদেশে (Bangladesh) জ্বালানির সংকটের কথা স্বীকার করে নিয়ে ইদের ছুটির কারণে সমস্ত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে জ্বালানি সঞ্চয়ের পথ নিয়েছে সদ্য ক্ষমতায় আসা তারিক রহমানের প্রশাসন। অন্যদিকে নিজেদের ব্যর্থতা ঢেকে রাখার পথে হেঁটেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। জানানো হয়েছে দেশে কোনও জ্বালানি সংকট নেই। সোমবার মধ্যরাতে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে মোদি সরকার। ঘোষণা করা হয়েছে দেশে জ্বালানি সংকট (fuel crisis)। সেই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বাণিজ্যিক গ্যাসের পরিষেবা হাসপাতাল ও স্কুলে সরবরাহ করার জন্য জোর দেওয়া হয়েছে।

অথচ আদতে যে দেশের বর্তমান সংগ্রহ ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে কতটা অন্ধকারে মোদি সরকার, প্রমাণিত মঙ্গলবার সকালেই। রাজ্যের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি হাসপাতাল এসএসকেএমে মঙ্গলবার সকাল থেকেই দেখা গেল বাণিজ্যিক গ্যাসের সংকট। জানানো হয়েছে, যে সরবরাহকারী সংস্থা হাসপাতালে (SSKM Hospital) গ্যাস সরবরাহ করে তাঁরা হলদিয়ায় বাণিজ্যিক এলপিজি-র (commercial LPG) সরবরাহ পাননি।

আরও পড়ুন : বাণিজ্যিক গ্যাসে কেন্দ্রের কোপ, দেশ জুড়ে প্রভাব হোটেল থেকে শ্মশানে

কেন্দ্রের সরকার বাণিজ্যিক গ্যাসে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ আনা হবে তার কমিটি তৈরি করতেই সোমবার লাগিয়ে দিয়েছে। ফলে এখনও কীভাবে জরুরি পরিষেবায় বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহ হবে তা নিয়ে নীতিই নির্ধারিত হয়নি। এসএসকেএম হাসপাতালে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা পরিস্থিতি সামাল দিতে সেন্ট্রাল কিচেনে রোগীদের রান্নার জন্য ঘরোয়া গ্যাস সরবরাহ করেছে। পরিস্থিতি বুধবার থেকে ভালো হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে তারা।

–

–

–

–

–

