অনেক কঠিন সময়ে ক্ষুরধার যুক্তি দিয়ে দলের হয়ে লড়েন। নানা ঘাত-প্রতিঘাত সত্ত্বেও ছাড়েননি মমতা-অভিষেকের হাত। রাজ্যসভার সাংসদের পর এবার বিধানসভার প্রার্থী কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সোমবার, তালিকা ঘোষণার আগে থেকেই তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের নাম শোনা যাচ্ছিল দলের তৃণমূলের (TMC) প্রার্থী হিসেবে। শুধু জল্পনা ছিল কেন্দ্র নিয়ে। বেলেঘাটায় কুণালকে প্রার্থী করল তৃণমূল। দীর্ঘদিনের সাংবাদিক কুণাল। এখনও দলের কাজের পাশাপাশি দৈনিক সংবাদপত্র ও পোর্টালে লেখেন। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন আরেক প্রাক্তন সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিত (Debdip Purohit)। খড়দহ থেকে তাঁকে প্রার্থী করল তৃণমূল।

কলেজে থাকাকালীন ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন কুণাল (Kunal Ghosh)। সেই সময় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদের পদাধিকারী ছিলেন তিনি। এর পর সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেই সুবাদে অনেক রাজনৈতিক নেতৃত্বের সান্নিধ্যে আসেন। তবে, প্রথমে যুব কংগ্রেস নেত্রী ও পরে তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে সময়ের সাথে সাথে তাঁর সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়। রাজ্যে সরকার গঠনের পরে কুণালকে রাজ্যসভায় পাঠান মমতা। সাংসদ হিসাবেও তাঁর পারফরম্যান্স ছিল নজর কাড়া। এবার সরাসরি ভোট রাজনীতিতে কুণাল।

বেলেঘাটায় গতবার বিধায়ক ছিলেন পরেশ পাল (Paresh Paul)। ৬১ হাজারের বেশি ভোটে জেতেন তিনি। কিন্তু এবার শারীরিক কারণে অনেক দিন ধরেই তিনি সক্রিয় নন। কেন্দ্রটি সাংগঠনিক দিক থেকে যথেষ্টই তৃণমূলের পক্ষে। টিকিট পেয়ে দলনেত্রী মমতা এবং সেনাপতি অভিষেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কুণাল। জানান, এতদিন দল তাঁকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তিনি পালন করেছেন। এবারও সেটা করবেন। মাঠে ময়দানে বারোমাস থাকে তৃণমূল। ফলে বাড়তি চাপ নেই।

আরেক প্রাক্তন সাংবাদিককে প্রার্থী করেন মমতা। খড়দহ থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হলেন দেবদীপ পুরোহিত। এই কেন্দ্রে আগে বিধায়ক ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে এবার বালিগঞ্জে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। দীর্ঘদিন ধরেই সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত দেবদীপ। তৃণমূল নেত্রীর ঘনিষ্ঠ বলয়ে দেখা যেত তাঁকে। সম্প্রতি ইংরেজি দৈনিক থেকে পদত্যাগ করে পুরোপুরি রাজনৈতিক ময়দানে কাজ শুরু করেন দেবদীপ।

–

–

–

–

–

–

