লকডাউনের (Lockdown) কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রের। জল্পনা উড়িয়ে দাবি করলেন পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতির গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardip Singh Puri)। কোভিডকালের মতো লকডাউন হওয়ার কোনও প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা করছে না কেন্দ্রীয় সরকার। এই নিয়ে গুজব ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরি করা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংরক্ষণে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার-সহ একাধিক দেশ ফুয়েল এমার্জেন্সির (Fuel Emergency) করেছে। এর পরেই ভারতের পরিস্থিতিতে নিয়ে উদ্বেগ দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই ভারতে লকডাউন ঘোষণা করা হতে পারে বলে গুজব ওঠে। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশ্বাস, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে ভারত।

নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লেখেন,
“বিশ্ব পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল, এবং আমরা জ্বালানি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে ঘটে চলা ঘটনাবলী রিয়েল-টাইমে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদfজির নেতৃত্বে, আমাদের নাগরিকদের জন্য জ্বালানি, শক্তি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহের নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আমরা উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।
ভারত বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার মুখে ধারাবাহিকভাবে স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করেছে এবং আমরা সময়োপযোগী, সক্রিয় এবং সমন্বিতভাবে কাজ করে যাব।“

এর পরেই লকডাউনের (Lockdown) গুজব উড়িয়ে হরদীপ সিং পুরী লেখেন,
“ভারতে লকডাউনের গুজব সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি এটি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, ভারত সরকারের বিবেচনাধীন এমন কোনও প্রস্তাব নেই।
এই সময়ে, আমাদের শান্ত, দায়িত্বশীল এবং ঐক্যবদ্ধ থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
এইরকম পরিস্থিতিতে গুজব ছড়ানো এবং আতঙ্ক সৃষ্টির প্রচেষ্টা দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং ক্ষতিকর।“

The global situation remains in flux, and we are closely monitoring developments across energy, supply chains, and essential commodities on a real-time basis.
Under the leadership of Hon’ble PM @narendramodi Ji, all necessary steps are being taken to ensure uninterrupted…
— Hardeep Singh Puri (@HardeepSPuri) March 27, 2026
এদিকে, কেন্দ্রের তরফে পেট্রোল ও ডিজেলের উপর শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা।

