পায়ের তলায় মাটি নেই বুঝতে পেরে বিরোধীদের প্রচারে বাধা। রাতের অন্ধকারে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গুন্ডামি। বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল কুমার ঘোষের হোর্ডিং খুলে ফেলা হয়। অথচ পাশের বিজেপির হোর্ডিং খোলা হয়নি। এমনকী, কুণাল অভিনীত ‘কর্পূর’ ছবির হোর্ডিংও ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগে সোমবার নিজে ফের হোর্ডিং লাগান কুণাল। থানায় মৌখিক অভিযোগও জানান তৃণমূল প্রার্থী। স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ট্যাগ করেন কমিশনকে।

এই গুন্ডামির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে কুণাল বলেন, বিজেপি জানে গোটা বাংলা জুড়ে গোহারা হারবে বিজেপি। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লেঠেল বাহিনীর মতো ব্যবহার করে একের পর এক হোর্ডিং ভাঙা হয়েছে। বিজেপি প্রার্থীর হোর্ডিং রয়েছে, কিন্তু আমার হোর্ডিং ভাঙা হয়েছে। কী করে হতে পারে? চূড়ান্ত পক্ষপাতদুষ্ট লেঠেল বাহিনী নামিয়ে গুন্ডামি করছে ইলেকশন কমিশন।

এরপর কর্পূর ছবির হোর্ডিং ভাঙা প্রসঙ্গে উষ্মা প্রকাশ করে কুণাল বলেন, কর্পূর ছবির হোর্ডিংও তছনছ করা হল কেন? এটা তো একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে!

কমিশনের লেঠেল বাহিনীর গুন্ডামির অভিযোগ তুলে কুণাল বলেন, আমার এখনও নমিনেশন জমা দেওয়া হয়নি। ফলে কমিশনের চোখে আমি প্রার্থী নয়। দল নাম ঘোষণা করেছে। তা হলে আমার কোনও হোর্ডিং কোনও আইনে ভাঙা অধিকার কমিশনের নেই। এর পর তিনি দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কোনও কর্মী এদের প্ররোচনায় পা দেবেন না। এই গুন্ডামিতে আমরা উদ্বিগ্ন নই, বাংলার মানুষ এর জবাব দেবে। মনে রাখছি। ভোটে জবাব হবে। বিজেপি কর্মীরাই ওদের প্রার্থীর নামে ওদের পার্টি অফিসে অভিযোগ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। মানুষ বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করছেন। আজ যারা দিল্লির লেঠেল বাহিনী এনে আমাদের হোর্ডিং ভাঙল, ভোটের পর তোমাদের রসগোল্লা খাওয়াব। বাংলার স্পেশ্যাল রসগোল্লা।

আরও পড়ুন – ভোটের মুখে সিইও দফতরে বড় রদবদল, ডেপুটি সিইও পদে রাহুল নাথ

_

_

_

_

_
_
