নিজের জালে নিজেই কি জড়িয়ে পড়লেন হুমায়ুন কবীর? হাজার কোটির ডিল থেকে শুরু করে পিএমও-র নাম জড়িয়ে যাওয়া— সাম্প্রতিক এক বিস্ফোরক ভিডিও ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। পরিস্থিতি এখন এমনই যে, বেগতিক বুঝে আসরে নামতে হয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীকে। এমনকি হুমায়ুনের অনুগামীরা সাংবাদিক বৈঠক করে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে নামলেও আদতে অস্বস্তি আরও বেড়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এই গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

শুরুটা হয়েছিল একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। সেখানে দেখা গিয়েছে, সংখ্যালঘু আবেগকে হাতিয়ার করে বিজেপির মদতে ভোট কাটাকুটির খেলায় নামার পরিকল্পনা করছেন হুমায়ুন। শুধু তাই নয়, এর নেপথ্যে প্রায় হাজার কোটি টাকার লেনদেন এবং খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতরের (পিএমও) যোগসাজশের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রথম ২৪ ঘণ্টা হুমায়ুন ও তাঁর শিবির থেকে দাবি করা হয়েছিল, এটি আসলে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারসাজি। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সুর বদলেছেন হুমায়ুন নিজেই। ভিডিওটি কবে এবং কোথায় শুট করা হয়েছিল, তা তিনি নিজেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

রবিবার হুমায়ুন কবীরের ঘনিষ্ঠ অনুগামীরা তড়িঘড়ি একটি সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন। সেখানে তাঁরা দাবি করেন, খুব শীঘ্রই এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেখানেই বাধে বিপত্তি। উপস্থিত সাংবাদিকদের তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন হুমায়ুনের শাগরেদরা। প্রশ্ন ওঠে, যদি ভিডিওটি আসলই হয় এবং পূর্ণাঙ্গ রূপ থাকে, তবে কেন শুরুতে একে এআইয়ের কারসাজি বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল? তবে কি আসল সত্যিটা ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই এখন বাঁচার রাস্তা খুঁজছেন তাঁরা?

আরও পড়ুন – ভোটাধিকার রক্ষার তাগিদে নাগরিক মিছিল দেশবাঁচাও গণমঞ্চের

_

_

_

_

_
_
_
