এর আগেও SIR হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনও সমস্যা হয়নি। নথি নিয়ে ছোটাছুটি করতে হয়নি সাধারণ মানুষকে। কিন্তু এবারের বিশেষ নীবিড় সংশোধনে হয়রানির শিকার দেশের মানুষ। কি গ্যারান্টি আছে যে আগামী বছরও এই SIR হবে না? রবিবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে এই প্রশ্ন তুললেন অর্থনীতিবিদ পরাকলা প্রভাকর (Parakala Prabhakar)। একইসঙ্গে তাঁর মত, সারা ভারতের ডিলিটেড ভোটারদের একত্রিত হয়ে সংগঠন তৈরি করা উচিত। ফের একবার SIR-কে রাজনৈতিক ‘রক্তপাতহীন গণহত্যা’ বলে তির্যক মন্তব্য করেন পরাকলা।

অর্থনীতিবিদ পরাকলা প্রভাকর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের (Nirmala Sitaraman) স্বামী। তবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বারবার তাঁকে মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করতে শোনা যায়। এসআইআর নিয়ে প্রথম থেকেই বিরূপ মন্তব্য করছেন তিনি। একে ‘রক্তপাতহীন গণহত্যা’ বলে আক্রমণ করেছেন। একইসঙ্গে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভূমিকারও সমালোচনা করেন পরাকলা প্রভাকর। এদিন কলকাতার একটি হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, এসআইআর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এর আগেও এটা হয়েছে। কিন্তু সেটা এবারের মত নয়। ২০০০ সালে SIR-এর সময় মানুষকে এইভাবে নথি নিয়ে ছোটাছুটি করতে হয়নি। বিভিন্ন নথি অগ্রাহ্য করায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও ক্ষুব্ধ পরাকলা। চিনি স্পষ্ট জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানছে না কমিশন।

এরপরেই অর্থনীতিবিদ পরাকলা (Parakala Prabhakar) প্রশ্ন তোলেন, কে বলতে পারে এটাই শেষ? আগামী বছর বা তার পরের বছরও এইভাবে এসআইআর হবে না? তাঁর আরও প্রশ্ন, বাংলায় যে ভোটাররা বাদ পড়লেন তাঁদের কী হবে? তাঁদের কি আবার ফেরানো হবে?

এই ডিলিটেড ভোটারদের দেশজুড়ে একত্রিত হওয়ার সময় এসেছে বলে মনে করেন পরাকলা। তাঁর কথায়, সারা ভারত ডিলিটেড ভোটারদের সংগঠন হওয়া দরকার। শুধু বাংলা নয়, অন্যান্য রাজ্যেও যেসব ভোটারদের ডিলিট করা হচ্ছে, তাঁদেরও একত্রিত হয়ে জোট বাঁধতে হবে- এটাই পরামর্শ বর্ষীয়ান অর্থনীতিবিদের।

–

–

–

–

–
–
