রবিবার সকালে সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভ। ১৬৩ ধারা বলবৎ থাকা অবস্থায় বিজেপির স্টিকার লাগানো গাড়ি কি করে ঢুকতে পারে, কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব জোড়া ফুলের কর্মীরা।গোটা দেশের নজর রয়েছে হাইভোল্টেজ ভবানীপুর কেন্দ্রের দিকে। এই বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রাখা রয়েছে যে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে। গত বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার মাঝে কী করে বিজেপির স্টিকার লাগানো গাড়ি স্টংরুমের সামনে পৌঁছে যেতে পারে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

হাতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা, সোমবার সকাল আটটা থেকে শুরু হবে ভোট গণনা। তার আগে রাজ্যজুড়ে সমস্ত স্ট্রংরুমে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি করেছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে ভিন্ন চিত্র কেন? একটা স্কুটি ঢুকলেও যেখানে রাইডারের পরিচয় ও গাড়ির তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে, সেখানে এই এক্স আর্মির বিজেপি স্টিকার লাগানো গাড়ি কীভাবে ঢুকতে দেওয়া হল? স্ট্রং রুমের পাহারাদার হিসেবে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখছেন যে সমস্ত তৃণমূল কর্মীর সমর্থকেরা তাঁদের কথা অনুযায়ী, এদিন হঠাৎ করে এক্স আর্মির গাড়ি ব্যবহার করে কয়েকজন শাখাওয়াতের ভিতরে যায়। গাড়িটির সামনে বিজেপির স্টিকার ছিল। তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি। বাইরে থেকেও বোঝা যায়নি কারা ছিলেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয় এবং তারপর পদক্ষেপ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী।’এক কর্মী বলেন, ‘অভিযোগ জানাতেই সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের। তারপর গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায় কয়েকজন। ইলেকশন কমিশন দালালি করছে।পার্টির ফ্ল্যাগ লাগানো গাড়ি নিয়ে কীভাবে এখানে ঢুকল? ওরা কারা? আমরা চিৎকার করতে গাড়ি নিয়ে বের হল। আমরা তো শান্তি বজায় রেখে দাঁড়িয়ে আছি। কিছু করছি না। এটা কী হচ্ছে?’ পুলিশের দাবি স্থানীয় এক আর্মি অফিসারকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল। তিনি এই এলাকারই বাসিন্দা। যদিও তৃণমূলের স্পষ্ট অভিযোগ গাড়িতে বিজেপির স্টিকার লাগানো ছিল। শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী এখনও এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে।
–

–

–

–

–

–
–
–
