সন্তানকে শিক্ষা দিয়ে, বিদেশে শিক্ষিত করার অর্থ সঞ্চয় করে, উচ্চশিক্ষিত করে সব বাবা-মাই চান তাঁদের সুস্থ সুন্দর জীবন। কিন্তু বাবা-মায়ের সেই শান্তিতে ব্যাঘাত ঘটিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে (Abhijit Dipke)। সুখে শান্তিতে বাঁচার জীবন বেছে না নিয়ে সিস্টেমের প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন তিনি। আর তাতেই শাসকের রক্তচক্ষু। প্রতিদিন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় (social media) আঘাত শাসকের। এবার কার্যত ভয় পেয়ে গিয়েছেন তাঁর বাবা-মা (Abhijit parents)। একদিকে শাসকের প্রতিহিংসায় যেন গ্রেফতার না হয়ে যান অভিজিৎ, অথবা ভালো চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সেই চিন্তা মহারাষ্ট্রের দম্পতির।
গত দুদিন ধরে প্রথমে ইনস্টাগ্রাম, টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP)। নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হলে তা হ্যাক হয়েছে। যেন তেন প্রকারে দমন করার চেষ্টা হয়েছে তাদের কণ্ঠস্বর। কিন্তু তারপরেও ফলোয়ার বেড়েছে সিজেপির। আর সেখানেই চিন্তায় অভিজিতের বাবা ভগবান দীপকে। তাঁর আশঙ্কা, ছেলের ফলোয়ার এখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের থেকে বেশি। কিন্তু ফলোয়ার (follower) যতই হোক, ভয় তো করছেই। এখনকার রাজনীতির যা পরিস্থিতি, তাতে আমার ছেলেও একটি সাক্ষাৎকারে নিজের ভয় প্রকাশ করেছে।

ছেলের ভবিষ্যতের চিন্তায় ঘুম উড়েছে বাবার। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অভিজিতের (Abhijit Dipke) ভবিষ্যৎ ভারতেই হোক। পুনে বা দিল্লিতে সে চাকরি করুক। এমনটাই ভেবেছিলেন বাবা ভগবান দিপকে। কিন্তু বরাবর নিজে রাজনীতি থেকে দূরে থাকা, রাজনীতি অপছন্দ করা ভগবান এখন আর চান না ছেলে দেশে ফিরুক।

আরও পড়ুন : ভারতে হঠাৎ বন্ধ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র এক্স হ্যান্ডল! কিন্তু কেন?

ভগবান দীপকের মতো একইভাবে চিন্তায় অভিজিতের মা অনিতা দীপকে। তিনি স্পষ্ট জানান, যে পথে সে যাচ্ছে তা আমরা সমর্থন করি না। আমরা চাই না রাজনীতিতে সে এগিয়ে যাক। আমরা ওর জন্য চিন্তিত। কিন্তু জানি না ও আমাদের কথা শুনবে কি না। আগে যখন ও আপ-এর সঙ্গে কাজ করেছিল, তখনও আমরা ওকে সমর্থন করিনি। আমরা চাই অভিজিৎ রাজনীতি থেকে দূরে থাকুক।

–

–

–
–
–
