আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের পাশে থাকতে এলাকায় রয়েছেন বিধায়করা। ফলে রবিবার কালীঘাটে ডাকা পরিষদীয় দলের বৈঠকে ৮০ জনের মধ্যে হাজির ছিলেন ২০ জন বিধায়ক। এর জেরে বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হল। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানালেন তৃণমূল বিধায়ক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। একই সঙ্গে সোমবার ও মঙ্গলবারের দুটি কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন তিনি।

তৃণমূলের কর্মসূচি
সোমবার: শহরাঞ্চলে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ও পঞ্চায়েত অঞ্চলে ব্লকে ব্লকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল (TMC) নেতা-কর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদ মিছিল
মঙ্গলবার: ভোট পরবর্তী হিংসা, তৃণমূল নেতৃত্বদের উপর বিজেপির আক্রমণের ও বিজেপির বুলডোজার নীতির বিরুদ্ধে রানি রাসমণি রোডে তৃণমূলের বিক্ষোভ কর্মসূচি, নেতৃত্বে থাকবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এদিন কালীঘাটের বৈঠকে ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, অসীমা পাত্র, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, পুলক রায়, গুলশান মল্লিক, বীণা মণ্ডল, রহিম বক্সি, রুকবানুর রহমান, সমীর জানা, অশোক দেব, আবদুল খালেক মোল্লা, জেবের শেখ, মতিবুর রহমান, আলিফা আহমেদ, তৌসিফ রহমান, মোশারফ হোসেন। এছাড়াও ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ডেরেক ও ব্রায়েন। কিন্তু বিধায়কের উপস্থিতি কম থাকায় বৈঠক স্থগিত হয়ে যায়। ঘরোয়া বৈঠক করেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

পরে সাংবাদিকদের কুণাল ঘোষ জানান, “শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনার পর বিধায়কেরা নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত। এ ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এমতাবস্থায়, গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বিধায়কদের ফোন আসে যে এমন পরিস্থিতিতে বৈঠকের দিন যদি বদল করা হয় তা হলে খুব ভাল হয়।“ এর পরে তৃণমূল বিধায়ক জানান, “অভিষেকের পাশাপাশি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেও হামলা হয়েছে। সার্বিক ভাবে এমন পরিস্থিতিতে বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই রবিবারের বৈঠক আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। পরে কবে হবে, তা পরিস্থিতি বুঝে ঠিক হবে।“

এর পরে সোম ও মঙ্গলবারের কর্মসূচির কথা জানান কুণাল।

–

–

–
–
–
