আদালতের নির্দেশে আপাতত স্বস্তি পেলেন জনপ্রিয় শিক্ষক খান স্যার (Khan Sir)। মঙ্গলবার পাটনা কোর্টের তরফ থেকে তাঁর গ্রেফতারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। পরবর্তীতে আদালত নির্দেশ না দিলে গ্রেফতার করা যাবে না খান স্যার ওরফে ফয়জল খানকে। এছাড়াও কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। খান স্যারের দায়ের করা আগাম জামিনের আবেদনের শুনানির সময় আদালত এই নির্দেশ দেয়।

গত ২ জুন পটনার মুসাল্লাপুর এলাকায় খান স্যারের কোচিং ইনস্টিটিউট ‘খান গ্লোবাল স্টাডিজ-এর বাইরে ব্যাপক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জেরে গত শুক্রবার খান স্যারের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগ, ভিড়ের উপরে খান স্যারের নির্দেশেই তাঁর দুই নিরাপত্তারক্ষী গুলি চালায়। পুলিশের দাবি, ধৃত দুই নিরাপত্তা রক্ষী জেরায় স্বীকার করেছে যে- খান স্যারের নির্দেশেই তাঁরা গুলি চালিয়েছিল। এরপরই খান স্যার, তাঁর দুই রক্ষী এবং বেশ কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ (BNS)-এর ধারায় খুনের চেষ্টা ও বেআইনি অস্ত্র রাখার মামলা রুজু করা হয়। খান স্যরের আইনজীবী অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁর মক্কেলের ‘মানহানি করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে’ এই FIR দায়ের করা হয়েছে। আরও পড়ুন: আদালতে যাওয়ার পথে সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে ডিম-গোবর

অবশ্য এই ঘটনার পরই খান স্যার দাবি করেছিলেন, একদল দুষ্কৃতী তাঁর কোচিং সেন্টারে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায় এবং ইনস্টিটিউটের বাইরে ‘আট থেকে দশ রাউন্ড’ গুলি চালায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে অন্য একটি কোচিং সেন্টারের মদতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনার জেরেই পুলিশ এর আগে রোশন আনন্দ নামে এক প্রতিদ্বন্দ্বী জ্ঞানবিন্দু কোচিং সেন্টারের মালিকসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছিল। মঙ্গলবার আদালত ওই প্রতিদ্বন্দ্বী মালিকের জামিনের আবেদনের রায়ও স্থগিত রেখেছে।

–

–

–

–

–
–
–
