অসুস্থতার কারণে বারবার ছুটির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত অফিসের শৌচাগারেই (Workplace Tragedy) মৃত্যু হল ২৯ বছরের এক তরুণীর। দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছে বেসরকারি সংস্থাগুলির কর্মী-কল্যাণ নীতি এবং কর্মক্ষেত্রে মানবিকতার অভাব। জোহানেসবার্গের রোজব্যাঙ্ক এলাকার একটি বেসরকারি সংস্থায় কল সেন্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন গসিনা ধলাধলা। পরিবার ও সহকর্মীদের দাবি, কয়েকদিন ধরেই তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ও অত্যন্ত ক্লান্ত ছিলেন। তবুও তাঁর অসুস্থতাজনিত ছুটির আবেদন বারবার খারিজ করা হয়।

সহকর্মীদের অভিযোগ, মৃত্যুর আগের দিনও গসিনা বারবার জানিয়েছিলেন যে তিনি কাজ করার মতো অবস্থায় নেই। এমনকি এক সহকর্মীর দাবি, অসুস্থতার জন্য তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। অভিযোগ আরও গুরুতর—অফিসের কাছেই চিকিৎসাকেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বদলে কর্তৃপক্ষ চিকিৎসার খরচ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আরও পড়ুন: আফগান-পাক সীমান্তে বিমান হানায় ১১ জন শিশু-সহ মৃত ২৬

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কর্পোরেট সংস্থাগুলির একাংশের অমানবিক কর্মসংস্কৃতি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের চেয়ে উৎপাদনশীলতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা যে কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে, গসিনার মৃত্যু সেই প্রশ্নই সামনে এনে দিয়েছে। যদিও সংস্থাটি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাঁদের দাবি, ঘটনাস্থলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং জরুরি পরিষেবাকেও দ্রুত খবর দেওয়া হয়। তবে সহকর্মী ও পরিবারের বক্তব্যে উঠে এসেছে ভিন্ন ছবি।

–

–

–

–

–
–
–
