রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) নামই থাকছে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার এমনই রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোসের (Rathindra Bose) সিদ্ধান্তে কোনওরকমের হস্তক্ষেপ করল না উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। জুলাই মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রাখা হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের টালমাটাল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে ‘বিদ্রোহী’ বিধায়করা আলাদা ব্লক তৈরি করে স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দেন। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেন অধ্যক্ষ। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আদালতে মামলা করে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। সই জাল কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক বাড়ে। দলের হয়ে সওয়াল করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।। গত শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও অধ্যক্ষের কাছে জানতে চান কেন তৃণমূলের প্রথম চিঠিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। শুনানি শেষ হলেও রায়দান স্থগিত ছিল। আজ রাজ্যের নজর ছিল হাইকোর্টের দিকে। অবশেষে এই মামলায় অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তে কোর্ট হস্তক্ষেপ না করায় ঘাসফুল শিবির বড়সড় ধাক্কা খেলো বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে নৈতিক জয় বলে দাবি করেছেন বিধায়ক সন্দীপন।

–

–

–

–

–

–
