Friday, March 13, 2026

TMCP প্রতিষ্ঠা দিবস: ভাষণ চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের সুযোগ ছাত্র-যুবদের

Date:

Share post:

রাত পোহালেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস (TMCP Foundation Day)। যা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জেলায় জেলায় জোরদার প্রচার চালিয়েছে ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিচ্ছেন দলের সেলিব্রিটি নেতা-নেত্রী-জন প্রতিনিধিরা। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি এবার ত্রিপুরা-সহ ভিন রাজ্যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করবে। করোনা আবহে এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মূলত ডিজিটাল প্লাটফর্মকেই গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। যেখানে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়া মারফত সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

 

তবে শুধু ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে ভাষণ রাখা নয়, এবার ভাষণ চলাকালীন সরাসরি ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অর্থাৎ, এই ভার্চুয়াল কর্মসূচি একমুখী নয়, দল ও ছাত্র সংগঠনের তরফ অভিনব প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে গোটা বিষয়টিকে দ্বিমুখী করার। যার অর্থ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে রাখতে ভার্চুয়ালি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পড়ুয়াদের সঙ্গে যাতে সরাসরি কথা বলতে পারেন, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করে সেই ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

 

এ প্রসঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য (Trinankur Bhattacharya) জানান, সকাল থেকে একাধিক কর্মসূচি থাকবে। প্রথা মেনে মেয়ো রোডে পতাকা উত্তোলন হবে। এরপর বিভিন্ন কলেজের সামনে করোনা বিধি মেনে পতাকা উত্তোলন ও ছোট্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। দুপুর দুটোয় তাঁর কালীঘাটের বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কলেজের সামনে সেই বক্তব্য দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ২০০টি জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো হবে রাজ্যজুড়ে। ত্রিপুরার ৮ জেলাতেও একই ব্যবস্থা থাকবে। একইসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াতেও তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে। প্রযুক্তি ও হাই স্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করে দলনেত্রীর সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের কথোপকথনের ব্যবস্থা করা হবে।

কিন্তু কেন এমন অভিনব ব্যবস্থা?

ছাত্র সংগঠনের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের কথায়, “দেশ ও রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ছাত্র-যুবদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছরের মতো এ বছরও সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা দেবেন দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাত্র ও যুব সমাজকে উৎসাহ জোগাতে সংগঠনের তরফ থেকে একাধিক চমক থাকছে। যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কথা বলার সুযোগ।”

 

advt 19

 

 

spot_img

Related articles

উন্নয়নের খতিয়ান দিতে গিয়েও ‘না’! চেয়েও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেল না তৃণমূল

রাজ্যের আদিবাসী ও জনজাতি উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘রিপোর্ট কার্ড’ পেশ করতে চেয়েও রাষ্ট্রপতির দেখা পেলেন না তৃণমূল সাংসদেরা।...

বিধানসভা ভোটে নজিরবিহীন নজরদারি: কয়েক গুণ বাড়ছে পর্যবেক্ষক, থাকছে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোমর বাঁধছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের প্রতিটি বুথে স্বচ্ছতা বজায়...

বাংলার জনজাতি উন্নয়নকে উপেক্ষা করে কেন আক্রমণ? রাষ্ট্রপতির কাছেই উত্তর চায় তৃণমূল 

গত তিন দশকের বাম আমলের অচলাবস্থা কাটিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানায় বাংলার আদিবাসী ও অনগ্রসর জনজাতিদের উন্নয়ন আজ এক...

“বার অ্যাসোসিয়েশন কি মানুষের স্বার্থে মামলা লড়ে?” হাইকোর্টে প্রশ্ন তুলে বিরোধীদের নিশানা কল্যাণের

দীর্ঘ ১১ মাসের আইনি লড়াই ও টানাপড়েন শেষে এসএলএসটি নিয়োগ সংক্রান্ত আদালত অবমাননা মামলার শুনানি শেষ হল কলকাতা...