আইপ্যাকে ইডির তল্লাশি অভিযান (ED raid in IPAC) কি রাজ্য প্রশাসনের কাছ থেকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছিল? তা না হলে সাড়ে ছটায় অভিযান শুরু করে কেন সাড়ে এগারোটার সময় ক্যাজুয়াল ইমেইল পাঠানো হল – সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ইডির মামলায় প্রশ্ন তুললেন অভিষেক মনুসিংভি। রাজীব কুমারের আইনজীবী বলেন, হাইকোর্টে এই মামলা করার পর এইভাবে সুপ্রিম কোর্টে কেন মামলা করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। পাশাপাশি অভিযোগের সঙ্গে ইডির পঞ্চনামায় মিল নেই বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষণ করে ইতিমধ্যেই এই মামলায় সব পক্ষকে নোটিশ জারি করতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট, এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: রাজ্যের ডিজিপি-কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে সাসপেন্ড করার আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতে ইডি

তল্লাশি অভিযানের সময় ইডির কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজ্যের ডিজিপি রাজীব কুমার (DGP Rajeev Kumar), কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা (CP Manoj Verma), দক্ষিণ কলকাতার ডিসিপি প্রিয়ব্রত রায়কে সাসপেন্ড করার আর্জি জানায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা কেন গেছিলেন সে প্রশ্ন তোলা হয় কেন্দ্রের সলিসিটারের তরফে? অভিষেক মনুসিংভি স্পষ্ট বলেন মুখ্যমন্ত্রী জেড প্লাস ক্যাটাগরির সিকিউরিটি পান। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই তিনি কোথাও গেলে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা সেখানে উপস্থিত হবেন। যাতে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়। এর জন্য কোনও ভাবেই তাঁদের দায়ী করা যায় না।
–

–

–

–

–

–

–
–


