সমাজের বিশিষ্টজনদের মতোই এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছিলেন মোহনবাগান(Mohun Bagan) ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোস (Srinjoy Bose) এবং প্রাক্তন সভাপতি টুটু বোস (Tutu Bose) এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। সোমবার বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে নথিপত্র নিয়ে শুনানিতে হাজির হলেন সৃঞ্জয় ও তাঁর পুত্র অরিঞ্জয়।

টুটু বসু এবং সৃঞ্জয়ের খ্যাতি শুধু বাংলা নয় দেশেও রয়েছে। জাতীয় ক্লাবের সচিব পদে থাকার পাশাপাশি সৃঞ্জয়(Srinjoy Bos) রাজ্য়সভার প্রাক্তন সাংসদ। অন্যদিকে টুটু বোস বিখ্যাত বাঙালি উদ্যোগপতি, মোহনবাগান ক্লাবের দীর্ঘদিনের সভাপতি। তাঁদের পরিবারকে এসআইআর (SIR) শুনানিতে তলব করায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল ময়দানে। কিন্তু নিয়ম মেনেই শুনানিতে হাজির হলেন সৃঞ্জয়। টুটু বোসের বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল কমিশনের, তবে এদিন নিজেরাই কাগজপত্র জমা দিয়ে আসে বোস পরিবারের প্রতিনিধি।

SIR শুনানি শেষে বেরিয়ে সৃঞ্জয় বোস বলেন, “আমি প্রাক্তন সাংসদ, তখন সব নথিপত্র জমা দিয়েই সংসদে গিয়েছিলাম। তবে কি সেই সব কাগজ মিথ্যে ছিল? ৯০ বছরের একজন বৃদ্ধ মানুষ আজীবন ভোট দিয়ে আসার পর এখন তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই অর্থহীন। বার বার আত্মীয় স্বজনরা জানতে চাইছেন নাম উঠল কিনা, এটা না হওয়াই বাঞ্চনীয়। ”

বোস পরিবারের মোট ছয় সদস্যকে ডাকা হয়েছিল এই শুনানিতে। তালিকায় ছিলেন টুটু বসু নিজে, তাঁর দুই ছেলে সৃঞ্জয় ও সৌমিক, দুই পুত্রবধূ নীলাঞ্জনা ও রাই এবং নাতি অরিঞ্জয়। এক সময় চরম আর্থিক সংকটে থাকা মোহনবাগানকে যিনি নিজের কাঁধে টেনে নিয়ে গিয়েছেন, কিন্তু তার পরেও শুনানিতে তলব করা হয় তাঁকে। মোহনবাগান সদস্য-সমর্থকরা চরম ক্ষুব্ধ এই ঘটনায়।

এর আগে মাঠ কাঁপানো তারকাদেরও এই একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। ভারতীয় পেসার মহম্মদ সামি, বাংলার ক্রিকেট কোচ লক্ষীরতন শুক্লা কিংবা প্রাক্তন ফুটবলার সৈয়দ রহিম নবি থেকে শুরু করে মেহতাব হোসেন, অলোক মুখোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের ডাকা হয় শুনানিতে। গত ১২ জানুয়ারি ক্রীড়াবিদরা ভবানীপুর ক্লাবের সমানে প্রতিবাদে সামিল হন।

–

–

–

–

–


