আদি নব্য দ্বন্দ্বে জেরবার বঙ্গ বিজেপিকে নতুন দিশা দেখানোর চেষ্টা রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্যের। রাজ্যের বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি ঘোষণা হতেই কার্যত হতাশার ছবি দেখা গিয়েছিল বিজেপির আদি (old BJP) সদস্যদের মধ্যে। বিরাট কোনও চমক সেই সভাপতিদের তালিকায় ছিল না। সেই নব্যদের (new BJP) গুরুত্ব দিয়েই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। তবে এবার মহিলা থেকে সংখ্যালঘু, তপশিলি কমিটির সভাপতিদের উপর ইনচার্জ (in-charge) হিসাবে বসালো রাজ্য বিজেপি। লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee), সৌমিত্র খানের (Soumitra Khan) মতো নেতাদের ফিরিয়ে আনলেও সেই তালিকাতে জায়গা হল না দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)।

বিভিন্ন মোর্চার সভাপতিদের মাথায় ইনচার্জ পদে বসানো হল রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে। মহিলা মোর্চার ইনচার্জ করা হয়েছে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। লকেট আগে মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ছিলেন। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি ফের নতুন গুরু দায়িত্ব পেলেন তিনি। যুব মোর্চার ইনচার্জ করা হল সাংসদ সৌমিত্র খানকে। আগে দিলীপ ঘোষের আমলে সৌমিত্র (Soumitra Khan) যুব মোর্চার (BJYM) রাজ্য সভাপতি ছিলেন। সৌমিত্রকে বসানো হল বর্তমান যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ-এর মাথার উপর। দলের আরেক রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে এসসি মোর্চার ইনচার্জ করা হয়েছে। আবার সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতির মাথায় ইনচার্জ করা হল দলের রাজ্য নেতা অমিতাভ রায়কে।

আরও পড়ুন : কংগ্রেসের ভুল করবেন না: নতুন সর্বভারতীয় সভাপতির সম্বর্ধনায় স্মরণ করিয়ে দিলেন মোদি

এদিকে দল তাঁকে যে দায়িত্ব দেবে তিনি সেটাই পালন করবেন – প্রতিদিন এই মত প্রকাশ করে আসা দিলীপ ঘোষের এই তালিকাতেও স্থান হল না। যদিও তাঁর একসময়ের ঘনিষ্ঠ নেতা-নেত্রীদের শীর্ষ পদ দিয়ে শমিক (Shamik Bhattacharya) দিলীপকে কিছুটা সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করলেন। সেই সঙ্গে নব্য শ্রেণির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে আদি নেতৃত্বদের গুরুত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করলেন। স্পষ্ট করে দিলেন সেই প্রবাদ – পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে।

–

–

–

–

–



