বাংলার সংস্কৃতি গোটা দেশকে সমৃদ্ধ করেছে। একইভাবে মুখ্যমন্ত্রীর(Mamata Banerjee) অনুপ্রেরণায় বাংলায় বিচ্ছিন্নতার সংস্কৃতি হবে না। শুক্রবার কলকাতা চিলড্রেন্স ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন করতে এসে এমনটাই জানালেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ২৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হল কলকাতা চিলড্রেন্স ফিল্ম ফেস্টিভাল। চলবে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। শিশু কিশোর আকাদেমির উদ্যোগে আয়োজিত চলচ্চিত্র উৎসব এবার ১২ বছরে পা দিল।
এবারের কলকাতা আন্তর্জাতিক চিলড্রেন্স ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের থিম ‘ট্রেজার হান্ট’। এদিন উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, শিশু-কিশোর একাডেমির চেয়ারম্যান অর্পিতা ঘোষ, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সন্দীপ রায় সহ দফতরের অন্যান্য আধিকারিকরা। এবার সোনার কেল্লা দিয়ে শুরু হল চলচ্চিত্র উৎসব। গোটা নন্দন চত্বর সেজে উঠেছে থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। চলতি বছর অভিনবত্বের ভরা থাকবে চলচ্চিত্র উৎসব। ফেলুদার ৬০ বছর হওয়ার দরুন এবার বেশিরভাগ দেখানো হবে ফেলুদার সিনেমা। অপরদিকে শতবর্ষে সম্মান জানানো হবে সলিল চৌধুরী, সন্তোষ দত্ত এবং তৃপ্তি মিত্রকে।

৩২ টি দেশের ১৮০ টি সিনেমা প্রদর্শিত হবে সপ্তাহ জুড়ে। নন্দন ১,২, ৩, রবীন্দ্রসদন, শিশির মঞ্চ, চলচ্চিত্র শতবর্ষ ভবন, রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবন এবং রবীন্দ্রতীর্থে দেখানো হবে ছবি।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বাংলা যেমন তার বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধ করেছে এক্ষেত্রেও তারা অন্যথা হবে না। বাংলায় সংস্কৃতির কোনও বিচ্ছিন্নতা কখনও হবে না। সংস্কৃতি চলবে। আজকের এই মঞ্চ থেকে সত্যজিৎ রায় কে শ্রদ্ধা জানাই।

মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ২০১১ সাল থেকে রাজ্য সংস্কৃতির গেটওয়ে তৈরি করেছে।এই উৎসবে রেজিস্ট্রেশন করে শিশু-কিশোররা আসে। এই সংখ্যাটা দিন দিন বাড়ছে। বিরোধীরা বলেন, উৎসব হয় ভোটের জন্য। কিন্তু এটা ভুল। যাদের জন্য এই উৎসব করা তারা অনূর্ধ্ব ১৮। ভোটার নয়।

উপস্থিত ছিলেন সন্দীপ রায়। তিনি ফেলুদার জন্মের গল্প শোনান এদিন। বাংলা ভাষার ছবিকেই এবার বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।। বাংলা ভাষার ব্যাপ্তি এবং সর্বগ্রাহিতা এতটাই বেশি যে ফিল্ম ফেস্টিভেলও সেই ধারাকে বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এছাড়াও গগনেন্দ্র প্রদর্শনশালায় গুপ্তধনের অভিযান বলে একটি প্রদর্শনীও করা হবে।

–

–

–

–

–
–


