কখনও ঘর রাখতে গেলে বিজেপির লাইসেন্স লাগবে। কখনও নির্মাণ কাজের জন্য বিজেপির শিলমোহর লাগবে। নাহলে সেই সবই গুঁড়িয়ে যাবে বুলডোজারের নিচে। আর এবার সরস্বতী পুজোর (Saraswati puja) আগে অদ্ভুত ফতোয়া। লাইসেন্স (license) না থাকলে বিহারে (Bihar) মণ্ডপ সাজিয়ে সরস্বতী পুজো করা যাবে না, একথা ঘোষণা করা হল খোদ বিহার পুলিশের (Bihar police) তরফে।

বাংলায় দুর্গাপুজো বা সরস্বতী পুজো করা নিয়ে যেভাবে উৎসাহ বাংলার প্রশাসন, বিশেষত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়ে থাকেন, তা ইউনেস্কো-র স্বীকৃতি আদায় করেছে। এরপরেও পুজো নিয়ে মনগড়া রাজনীতি বাংলায় চালান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সরস্বতী পুজো নিয়ে বাংলাকে বদনাম করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও। আদতে বিজেপির দেব-অর্চনায় ফায়দার রাজনীতির ছবি স্পষ্ট হয়ে গেল নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) বিহারেই।

আরও পড়ুন : ওড়িশায় একের পর এক বাঙালি শ্রমিকের হেনস্থা: হুগলির প্রৌঢ়কে লাঠি দিয়ে মার!

বাংলায় পুজোকে শুধুমাত্র পুজো হিসাবে নয়, একটি বড় অর্থনীতি হিসাবে সামাজিক উন্নয়নের মাপকাঠি হিসাবেও দেখা হয়। সেখানে পুরোহিতের অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধির সঙ্গে মূর্তির শিল্পী এমনকি মূর্তি বিক্রেতাদেরও কথা ভাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নীতীশ কুমারের বিহারে (Bihar) সরস্বতী পুজো (Saraswati puja) করতে গেলেই লাইসেন্স লাগবে – এমনটাই ঘোষণা করা হচ্ছে বিহার পুলিশের তরফে। একটিও মূর্তি পুজোর জন্য বসেছে, যার লাইসেন্স (license) নেই, এমনটা দেখা গেল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা মুখে বলছেন না বিহারের পুলিশের (Bihar police) আধিকারিক। কিন্তু সেটা যে অত্যন্ত ভয়াবহ, সেটা তাঁর হুমকি শুনলেই বোঝা সম্ভব।

–

–

–

–

–

–


