বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ আঁতাতে তৈরি SIR বিরোধিতায় দিল্লি গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার দেশের নির্বাচন কমিশনের (ECI)সঙ্গে বৈঠকে রহস্যময়ী সীমা খান্নাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের কমিশনকে ‘বয়কট’ ঘোষণা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বাংলায় অপরিকল্পিত এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রথম থেকেই সরব মমতা-অভিষেক। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন আতঙ্কের জেরে রাজ্যে অন্তত ১৪০ জন মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। নিহতদের পরিবারকে দিল্লি নিয়ে গেছেন মমতা। কমিশনের বৈঠকে প্রশ্ন তুলেছেন এত মৃত্যুর দায় কে নেবে? কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনার ৬টি চিঠি লিখেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু একটি চিঠিরও জবাব কমিশনের তরফে দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি কমিশন! বৈঠকে ‘অপমানিত’ মমতা কমিশনকে ‘মিথ্যেবাদী’ তকমা দিয়ে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে কোন কর্মসূচির ঘোষণা করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী(chief Minister of West Bengal), সেদিকে নজর রাজ্য-সহ গোটা দেশের।


তৃণমূল সুপ্রিমো দিল্লিতে পৌঁছতেই কার্যত থরহরি কম্প অবস্থা বিজেপির। অমিত শাহের (Amit Shah) পুলিশ বঙ্গভবনের বাইরে পাহারা বসায়। জানতে পেরেই সেখানে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর রণমূর্তিতে পিছু হটতে বাধ্য হয় রাজধানীর পুলিশ প্রশাসন। জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরাও স্বীকার করেছেন যে গোটা দেশের মধ্যে আর কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এত তৎপরতা নেই। যেভাবে নিজের রাজ্যের মানুষের জন্য ছুটে গেছেন মমতা, তাতে কার্যত কেঁপে গেছে দিল্লি।
আজ ইডি-আইপ্যাক মামলার সুপ্রিম শুনানি


রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের আতাঁতের বিরুদ্ধে রাজধানীর মাটিতেই বড় কোনও আন্দোলনের ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লির বাসভবনে বৈঠকের পর মঙ্গলে তৃণমূলের সংসদীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন মমতা। দুপুরে বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডাকা হয়েছে। সুপ্রিমপথে আইনি লড়াই নাকি পথে নেমে প্রতিবাদ ঠিক কীভাবে আন্দোলনের রূপরেখা সাজাবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সেদিকে নজর সারা দেশের।

–

–

–

–

–

–

–


