রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে ফের বড়সড় রদবদল ঘটাল নবান্ন। শনিবার এক নির্দেশিকা জারি করে একাধিক এডিজি, আইজিপি, ডিআইজি এবং জেলা পুলিশ সুপারদের দায়িত্ব পরিবর্তন করা হয়েছে। নবান্নের তরফে এই রদবদলকে রুটিন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি করা হলেও, কয়েক দিনের ব্যবধানে এই পুনঃবন্টন ঘিরে প্রশাসনিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

শনিবারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এডিজি ও আইজিপি (মডার্নাইজেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন) পদ থেকে রাজীব মিশ্রকে সরানো হয়েছে। তাঁকে এডিজি ও আইজিপি (সাউথ বেঙ্গল) বা দক্ষিণবঙ্গের নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এডিজি ও আইজি (কারেকশনাল সার্ভিস) পদে থাকা লক্ষ্মী নারায়ণ মিনা এখন থেকে সিআইডির এডিজি ও আইজিপি পদের দায়িত্ব সামলাবেন। মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর রেঞ্জের আইজিপি মুকেশকে পাঠানো হয়েছে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর আইজিপি পদে।

রদবদল হয়েছে ডিআইজি এবং এসপি স্তরেও। নদিয়া ও রানাঘাট রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ ওয়াকুয়ার রাজাকে মুর্শিদাবাদের ডিআইজি করে পাঠানো হয়েছে। আবার দুই জেলার পুলিশ সুপারের আসনও অদলবদল করা হয়েছে। কৃষ্ণনগরের পুলিশ সুপার অমরনাথ কে এখন থেকে জলপাইগুড়ির নতুন এসপি। আবার জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশীকে পাঠানো হয়েছে কৃষ্ণনগরের পুলিশ সুপার পদে।

প্রসঙ্গগত, গত ৩০ জানুয়ারি রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষস্তরে বড় রদবদল হয়েছিল। সে সময় রাজ্য পুলিশের নতুন ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে পীযূষ পান্ডে এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার হিসেবে সুপ্রতিম সরকার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তার ঠিক পরেই ফের এই রদবদলের নির্দেশিকা জারি হল। নবান্ন বিষয়টিকে নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদল বললেও, নজিরবিহীনভাবে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত পুলিশের অন্দরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন – কিশোরী ‘আত্মহত্যায়’ কোরিয়ার যোগ! কেরালা পুলিশের তদন্তে মারণ সাইবার ফাঁদের ইঙ্গিত

_

_

_

_

_
_


