ভয়ানক ঘটনা যোগীরাজ্যে (BJP ruled state Uttar Pradesh)! নারী নির্যাতনের চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে গোটা রাজ্য। গোরক্ষপুর-আহমেদাবাদ এক্সপ্রেসে টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করার ভয়াবহ মাসুল দিতে হল তরুণীকে। এসি ফার্স্ট কোচে তরুণীকে ধর্ষণ (Women sextual harassments) করলেন খোদ সরকারি আধিকারিক। তরুণী জানিয়েছেন যে মাত্রাতিরিক্ত ভিড়ের কারণে তিনি টিকিট পেতে পারেননি কিন্তু দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেন নি যে এর পরিণতি এই হতে পারে। জানা গিয়েছে, উত্তর প্রদেশের আহমেদাবাদ-গোরখপুর এক্সপ্রেসে ট্রেনের টিকিট পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ২৪ বছরের এক এনসিসি ক্যাডেটকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মাউতে সি সার্টিফিকেট পরীক্ষা দিয়ে ফিরছিলেন ওই ক্যাডেট, কিন্তু প্রচুর ভিড়ের কারণে টিকিট কাটার সুযোগ হয়নি।

সূত্রের খবর, তিনি এসি কোচে ওঠেন, যেখানে টিটিই জরিমানা আদায়ের পর সিটের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন। এরপর তিনি তরুণীকে ফার্স্ট এসি কেবিনে নিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে যে তিনি কেবিনটি বন্ধ করে নির্যাতিতাকে মারধর করতে শুরু করেন। এমনকি হুমকি দেওয়া হয় যে এই বিষয়ে কেউ জানতে পারলে প্রাণহানিও হতে পারে। রবিবার রাতে ইন্দারা এবং দেওরিয়া স্টেশনের মাঝামাঝি এই ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। নির্যাতিতা আতঙ্কিত হয়ে পুলিশের জরুরি হেল্পলাইনে (ডায়াল-১১২) ফোন করেন। অভিযোগের কথা জানতে পেরে অভিযুক্ত দেওরিয়া স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে পালিয়ে যান। ট্রেনটি গোরক্ষপুরে পৌঁছনোর পর, মহিলা জিআরপি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। মামলাটি পরে দেওরিয়ায় স্থানান্তরিত করা হয়। পুলিশের তরফে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তরুণীর মেডিকেল পরীক্ষা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন: ৭ বছরের নাবালিকা ধর্ষণ করে ড্রামের জলে ডুবিয়ে খুন! অভিযুক্ত প্রতিবেশী ‘কাকু’

প্রসঙ্গত, তরুণী মাউ জেলার বাসিন্দা, গোরক্ষপুরে থাকেন এবং সেনাবাহিনীতে নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি তাঁর এনসিসি সি-সার্টিফিকেট এর পরীক্ষা দিতে মাউ গিয়েছিলেন এবং গোরক্ষপুরে ফিরে আসার সময় এমন এক মর্মান্তিক ঘটনার সম্মুখীন হন। জিআরপি পুলিশ সুপার লক্ষ্মীনিবাস মিশ্র এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, অভিযুক্তকে খুঁজে গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তিনি বিহারের বাসিন্দা। একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, এবং অভিযান চলছে। অভিযুক্তকে শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে। রেল কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।

–

–

–

–

–

–

–


